খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্কঃ এবার পিবিআই প্রধান বনজ কুমারসহ ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিতু হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবুল আক্তার মামলার আবেদন করলো।
হেফাজতে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদারসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের আদালতে একটি মামলার আবেদন করা হয়েছে। নির্মম খুনের শিকার মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার প্রধান আসামি কারাবন্দি তার স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার আবেদনটি করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ জেবুন্নেছা বেগমের আদালতে মামলার আবেদন করা হয়। আদালত ১৯ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে আদেশের দিন নির্ধারণ করেছেন বলে জানান চট্টগ্রাম মহানগর পিপি মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী।
মামলার আবেদনে আরও যাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে তারা হলেন- পিবিআই চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. নাজমুল হাসান, মেট্রোর পুলিশ সুপার নাঈমা সুলতানা, পিবিআইয়ের সাবেক পরিদর্শক বর্তমানে খুলশী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সন্তোষ কুমার চাকমা ও বর্তমানে সহকারী পুলিশ কমিশনার (পাহাড়তলী জোন) একেএম মহিউদ্দিন সেলিম এবং পিবিআইয়ের জেলা পরিদর্শক কাজী এনায়েত কবির।
নির্যাতনে এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন ২০১৩ এর ১৫ (১) এবং ৫ (২) ধারায় পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণের আবেদন করেছেন বাদী বাবুল আক্তার। অভিযোগে ঘটনার সময় উল্লেখ করেছেন ২০২১ সালের ১০ মে সকাল পৌনে ১০টা থেকে ১৭ মে বেলা ১টা পর্যন্ত পিবিআই চট্টগ্রাম জেলা ও মেট্রো অফিস।
মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় বাবুলের দায়ের করা হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা তাকে হোয়াটস অ্যাপে কল দিয়ে বনজ কুমার মজুমদারের নির্দেশের কথা বলে পিবিআই অফিসে আসার জন্য বলেন। ১০ মে তিনি চট্টগ্রামে পৌঁছে পিবিআই অফিসে সন্তোষের কক্ষে যান। সেখানে সাতজনকে আসামি করে একটি খসড়া অভিযোগপত্র তাকে দেখান সন্তোষ। পরে তাকে এসপি নাঈমা সুলতানার কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জেলার এসপি নাজমুল হাসানসহ ১০-১৫ জন অফিসার ছিলেন। নাজমুল বাবুলকে বলেন, ‘তোমাকে আমার অফিসে যেতে হবে। বনজ স্যারের নির্দেশ।’
বাবুল আক্তারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহিনুর ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় বাবুল আক্তারকে রিমান্ডে নিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য তার ওপর নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ গ্রহণ করে আদালত শুনানির জন্য রেখেছেন।
খখ/মো মি


