খাসখবর রাজনীতি ডেস্কঃ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীসহ দলের শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা শতাধিক নেতাকর্মীকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
এ সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন ৷ দীর্ঘ তিন বছর পর আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হয় ৷ গত ২০১৯ সালের ২০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ৷ ওই সম্মেলনের আগে জাতীয় কমিটির সভা হয়েছিলো ৷ আগামী ২৪ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের ২২তম সম্মেলনকে সামনে রেখে শনিবার এ সভা অনুষ্ঠিত হয়৷
সভার সিদ্ধান্তের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় কমিটি দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী, দলীয় কোন্দল সৃষ্টিকারী এ ধরনের শতাধিক নেতাকর্মী যারা ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেছিল তাদের আবেদন গ্রহণ করে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছে।
এবারের সম্মেলনে কৃচ্ছতা সাধন করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, খরচ কমানোর জন্য এবারের সম্মেলনে সাদামাটাভাবে একদিনে করা হবে৷ কৃচ্ছতা সাধনের জন্য এবারের সম্মেলনের বাজেট ৩০ লাখ টাকা কমিয়ে ৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছে জাতীয় কমিটি।
বৈঠকে কেন্দ্রীয় কমিটির চার-পাঁচজন নেতা বক্তৃতা করেন। তাঁদের প্রায় সবাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিদ্রোহী কিংবা দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে সাময়িক বহিষ্কার করা নেতাদের ক্ষমা করে দেওয়ার আহ্বান জানান। জেলা থেকে আসা সদস্যরাও তাতে সায় দেন।
নেতারা বলেন, সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ সময় বহিষ্কৃতদের ফিরিয়ে না আনলে দল দুর্বল হয়ে যাবে। এ পর্যায়ে যেসব বহিষ্কৃত নেতা ক্ষমার জন্য আবেদন করেছেন, তাঁদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়। আর ভবিষ্যতে যাঁরা আবেদন করবেন, তাঁদের জাতীয় কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে ক্ষমা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্যসংখ্যা ১৮০। ৮১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি, ৭৮টি সাংগঠনিক জেলা থেকে একজন করে প্রতিনিধি ও সভাপতির নির্বাচিত ২১ জন নিয়ে জাতীয় কমিটি গঠিত হয়। ২২ ডিসেম্বর দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সর্বশেষ বৈঠক হবে। আর ২৪ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলন।
খখ/মো মি


