খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালি থানাধীন হাজারী গলির এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ১৪টি স্বর্ণের বার ছিনতাইয়ের ঘটনায় আরও দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এ সময় ছিনতাই হওয়া আরও ৩টি স্বর্ণের বার ও স্বর্নালংকার সহ প্রায় ৪০ ভরি স্বর্ণ এবং স্বর্ণের বার বিক্রির ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার দুই জন হলেন, মো. আলমগীর (৫২) ও সরোয়ার (৩২)
এবিষয়ে কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি জাহিদুল কবির বলেন, এ ছিনতাইয়ের ঘটনায় মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে আসামিদের দেওয়া তথ্যে বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) রাতে বাকলিয়া ডিসি রোডের পশ্চিম বাকলিয়া দোকান মালিক সমিতির অফিস কক্ষ ও ডিসি রোডের একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে করা হয়। এ সময় ছিনতাই হওয়া আরও ৩টি স্বর্ণের বার ও স্বর্নালংকার সহ প্রায় ৪০ ভরি স্বর্ণ এবং স্বর্ণের বার বিক্রির ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। আজ (শুক্রবার) গ্রেফতার ওই দুই আসামিকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
গ্রেফতার অভিযানে অংশ নেয়া কোতোয়ালী থানার সাব ইন্সপেক্টর মোমিনুল হাসান বলেন, ‘জয়ন্ত বণিক দীর্ঘসময় ধরে হাজারী গলিতে সোনার কারিগর হিসেবে কাজ করে। এজন্য সোনার ব্যবসায়ীদের কেনা-বেচার সব তথ্য তার নখদর্পণে থাকে। তথ্য অনুযায়ী জয়ন্ত সোনা ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে ও পরিকল্পনা সাজায়। এরপর ছোট ভাই প্রবীর ও তার সহযোগীদের দিয়ে ছিনতাই করায়। সেই সোনা উদ্ধারের নামে আবার মধ্যস্থতা করে জয়ন্ত। পরে সেখান থেকে কিছু সোনা বা সোনার বার হাতিয়ে নেয়।’
উল্লেখ্য, গত ৬ আগস্ট হাজারী গলির বনলতা কাটিং সেন্টার নামের স্বর্ণালংকার তৈরির কারখানার ব্যবস্থাপক কনক ধর কাপড়ের শপিং ব্যাগের ভেতর করে ১৪টি স্বর্ণবার নিয়ে গরীবউল্লাহ শাহ মাজার এলাকায় যাওয়ার জন্য রিকশায় রওনা হন। রিকশাটি হাজারী গলির মুখে এলে রিকশা আটকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার কাছ থেকে স্বর্ণের বারগুলো ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
এই ঘটনায় কনক ধর বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় মামলা করেন। তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা দেখে জড়িত ৫ জনকে গ্রেফতার করে।
খখ/মো মি


