কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযান: ১৩টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

"চট্টগ্রাম আদালতে হাজিরা দিতে এসে করতো মোটরসাইকেল চুরি"
thai foods

খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মোটরসাইকেল চোর চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। তাদের কাছ থেকে ১৩টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

thai foods

চুরির মামলার হাজিরা দিতে এসে আদালতেই এই চক্র মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে মোটরসাইকেলগুলো উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন, পটিয়া থানার কোলাগাঁও সিরাজশাহ মাজার বাড়ীর আব্দুল আলীমের ছেলে মো. রিপন (৩২), কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার চিওড়া ডিমাতলী এলাকার মৃত মনু মিয়া আব্দুল কাদের জিলানী প্রকাশ অভি (২৬) ও কক্সবাজার জেলার মহেশখালী থানার মাতারবাড়ী মনহাজীর পাড়া আনছারের বাপের বাড়ির মো. মোস্তাকের ছেলে সজিবুল ইসলাম (২১)।

কোতোয়ালী জোনের সহকারী কমিশনার অতনু চক্তবর্তী বলেন, নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে গত ৪ অক্টোবর (বুধবার) সকাল সাড়ে দশটার দিকে ফিরিঙ্গিবাজার মেরিনার্স রোডে অভিযান চালিয়ে মোটরসাইকেল চোর চক্রের মূল হোতা রিপনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে কুমিল্লা থেকে অভি ও মহেশখালী থেকে সজিবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এসময় রিপন থেকে একটি, অভি থেকে আটটি ও সজিব থেকে চারটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, মূলত রিপনই মোটরসাইকেল চুরি করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে কম দামে বিক্রি করে দিতেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় আটটি ও অভির বিরুদ্ধে পাঁচটি মোটরসাইকেল চুরিসহ মারামারির মামলা আছে।

কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহিদুল কবির বলেন, রিপনের বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল চুরির অনেক মামলা আছে।
তিনি যতবারই ওই মামলায় চট্টগ্রামের আদালতে হাজিরা দিতে আসতেন সুযোগ বুঝে মোটরসাইকেল চুরি করে কুমিল্লায় নিয়ে অভির কাছে ২৫ থেকে ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিতেন।’ কুমিল্লা থেকে আসার পথে মীরসরাই ও সীতাকুণ্ডের হাসপাতাল এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারে থাকা বিভিন্ন বিক্রয় প্রতিনিধির মোটরসাইকেল চুরি করে মহেশখালী নিয়ে সজিবের কাছে কম দামে বর্ডার ক্রস বলে বিক্রি করতেন। রিপনের কাছ থেকে একটি মাস্টার চাবি পেয়েছি। মূলত যেসব মোটরসাইকেল কম দামি ও লক দুর্বল সেগুলোই তার টার্গেট ছিল।

তিনি আরও বলেন, ‘মহেশখালীতে তার শ্বশুর বাড়ি। সেখান থেকে আবার আসার পথে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, কেরানীহাট ও পটিয়ার শান্তিরহাট বাজার থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে আবার কুমিল্লায় বিক্রি করতেন। তার কাছ থেকে আমরা একটি মাস্টার চাবি পেয়েছি। মূলত যেসব মোটরসাইকেল কম দামি ও লক দুর্বল সেগুলোই তার টার্গেট ছিল।’

গ্রেপ্তার মোটরসাইকেল চোর চক্রের তিন সদস্যকে
তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

খখ/মো মি

আগেচট্টগ্রামে দুদকের সাবেক কর্মকর্তার মৃত্যু, দুই এএসআই প্রত্যাহার
পরেনিউক্লিয়ার যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ: রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর