খাসখবর বিনোদন ডেস্ক➤ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, চলচ্চিত্র শিল্পে সহসাই স্বর্ণযুগ ফিরে আসবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে এদেশে যে শিল্পের যাত্রা শুরু, সেই চলচ্চিত্র যাতে দেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় নিয়ে যেতে পারে সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করছি।
রবিবার ( ৬ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নবনির্বাচিত পরিষদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসকল কথা বলেন।
প্রতি জেলাতেই তথ্য ভবনের সঙ্গে একটি করে প্রেক্ষাগৃহ (সিনেমা হল) থাকবে। গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নবনির্বাচিত পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এ তথ্য জানান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।
এছাড়া প্রতি জেলায় একটি করে সিনেমা হল থাকবে, যা ইতিমধ্যেই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের বৈঠকে পাশ হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘চলচ্চিত্র মাধ্যমে দেশের মানুষের জীবনচিত্র যেমন পরিস্ফুটন করা যায়, একইসাথে মানুষের মনন তৈরি করার ক্ষেত্রেও চলচ্চিত্র বিরাট ভূমিকা রাখতে পারে। চলচ্চিত্র শিল্পে শুধু স্বর্ণযুগ ফিরিয়ে আনাই নয়, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র যেন বিশ্ব অঙ্গনেও জায়গা করে নিতে পারে।’
চলচ্চিত্রশিল্পের উন্নয়নে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বন্ধ সিনেমা হল চালু, পুরোনোগুলো আধুনিকায়ন এবং নতুন সিনেমা হল স্থাপনে এক হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়েছে। এই তহবিল থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামে শতকরা পাঁচ টাকা এবং অন্যত্র সাড়ে চার টাকা সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ চালু করা হয়েছে। তিনি বলেন, অনুদানের বরাদ্দ বছরে ৫ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে, ১০টি থেকে বাড়িয়ে গত বছর ১৬টি সিনেমাকে অনুদান দেওয়া হয়েছে, অনুদানের ছবি এখন কমপক্ষে ২০টি হলে মুক্তির নিয়ম করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এফডিসির নতুন ভবন নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের দুটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটির দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যক্রমও শেষ পর্যায়ে। চট্টগ্রামেও এফডিসির একটি শাখা করার জন্য বিটিভি থেকে এক একর জায়গা এফডিসিকে দেওয়া হয়েছে।
‘প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করে চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদানের বছর প্রতি বরাদ্দ ৫ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকায় উন্নীত করা, আগের ১০টি থেকে বাড়িয়ে গতবছর ১৬টি সিনেমাকে অনুদান দেয়া, অনুদানের ছবি আগে হলে মুক্তি না পাওয়া থেকে এখন কমপক্ষে ২০টি হলে মুক্তি দেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে’ জানান তথ্যমন্ত্রী।
চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সহ-সভাপতি ছটকু আহমেদ, মহাসচিব শাহীন সুমন, উপ-মহাসচিব কবিরুল ইসলাম রানা, আন্তর্জাতিক ও তথ্যপ্রযুক্তি সচিব নোমান রবিন, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সচিব শাহীন কবির টুটুল, নির্বাহী সদস্য জাকির হোসেন রাজু, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদ মণি সভায় অংশ নেন।
খখ/মো ম


