‘দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে’-মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার৮

thai foods

খাসখবর প্রযুক্তি ডেস্ক➤ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, হাওর ও দুর্গম চরসহ দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। এছাড়াও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ১২ হাজারেরও বেশি ওয়াইফাই জোন স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।

thai foods

মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার আরও বলেন, চলতি বছরের মধ্যেই সারাদেশে উচ্চগতির ইন্টারনেটের জন্য অপটিক্যাল ফাইভার ব্রডব্যান্ড সংযোগ পৌঁছে যাবে। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ৭১টি দ্বীপ সংযোগের আওতায় আনা হচ্ছে।

বুধবার (৭ জুলাই) ঢাকায় এফোরএআই আয়োজিত ব্রডব্যান্ড পলিসি ২০২১ (প্রস্তাবিত) রিভিসান শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এটুআই এর পলিসি অ্যাডভাইসার আনির চৌধুরী, রবির সিইও মাহতাব আহমেদ, অ্যামটবের সেক্রেটারি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এস এম ফরহাদ এবং এফোরএআই উপ-পরিচালক এলিনুর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

বিটিআরসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এফোরএআই এর কান্ট্রি সমন্বয়ক শহীদ উদ্দিন আকবর।

ব্রডব্যান্ড পলিসির খসড়া প্রণয়নে এফোরএআই এর ভূমিকার প্রশংসা করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, আগামী ১০ বছরের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি মাথায় রেখে একটি টেকসই নীতিমালা সরকার তৈরি করছে। এই নীতিমালাকে কেবল ব্রডব্যান্ড নীতিমালা নয় এটি সব দিক বিবেচনায় একটি পুর্ণাঙ্গ ইন্টানেট নীতিমালা।

দেশে মোবাইল প্রযুক্তি বিকাশের ধারবাহিকতা তুলে ধরে মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশে ১৯৮৯ সালে মোবাইল ফোনের যাত্রা শুরু হলেও ১৯৯৭ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী কর্মসূচির ফলে বাংলাদেশ মোবাইল যুগে প্রবেশ করে। ১৯৯৭ সালের পর টুজি, ২০১৩ সালে থ্রিজি এবং ২০১৮ সালে ফোরজি নেটওয়ার্ক যুগে বাংলাদেশ প্রবেশ করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদের দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশ ফাইভজি যুগে প্রবেশের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ফাইভজি প্রযুক্তি আগামী দিনের শিল্পের মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করবে। আমরা কৃষিতেও এই প্রযুক্তি কাজে লাগাতে পারবো।

সরকার টেলিকম অ্যাক্ট নিয়েও কাজ করছে জানিয়ে মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ডিজিটাল সংযোগ চতুর্থ শিল্প বিপ্লব বা ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ডিজিটাল মহাসড়ক হিসেবে কাজ করছে।

করোনাকালে জীবনযাত্রা সচল রাখতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ভূমিকা তুলে ধরে মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার আরও বলেন, আমরা টেলিকম ইন্ডাস্ট্রিকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষার্থীদের সহায়তার চেষ্টা করছি। এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমাদের আলোচনাও হয়েছে। দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বল্প মূল্যে কীভাবে স্মার্টফোন সরবরাহ করা যায় এ বিষয়টি নিয়েও আমরা কাজ করছি। শিক্ষা বিস্তারে ডিজিটাল কনটেন্টের চাহিদা পূরণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। করোনাকালে স্থানীয় কনটেন্টের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সেই বিবেচনা করে পাঠ্যক্রম ডিজিটাল কনটেন্টে রূপান্তর করা উচিত।

খখ/মো মি

আগেবিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু বাংলাদেশের ‘রাণী’
পরেনরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভায় যুক্ত হলেন ৪৩ জন, এর মধ্যে ৩৬জনই নতুন মুখ