খাসখবর মহামারী ডেস্ক➤ দেশে করোনায় মৃত্যু বাড়লেও শনাক্ত কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই একই সময় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৫৮৯ জন। এর আগের দিন করোনায় ২১ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং ৮৪৭ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছিল।
শনিবার (২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনা ভাইরাসের নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ হাজার ২৮৩ জনের নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৭ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২৪ জনসহ দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৭ হাজার ৫৫৫ জনে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৭৪১ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৬৬২ জন।
সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮২১টি ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৬ হাজার ৪১৫টি এবং নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৭ হাজার ২৮৩টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯৭ লাখ ৭৩ হাজার ২৪৪টি।
এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার তিন দশমিক ৪১ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
এছাড়া নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৭৪১ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৬৪২ জন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ২৪ জনের মধ্যে ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে পাঁচজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে নয়জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ছয়জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন ও ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে দুইজন রয়েছে।
মারা যাওয়াদের মধ্যে ১৫ জন পুরুষ ও ৯ জন নারী। এদের মধ্যে সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে চারজন, খুলনা বিভাগে একজন, বরিশাল বিভাগে একজন, সিলেট বিভাগে একজন, রংপুর বিভাগে দুইজন ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন মারা গেছেন।
এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ২১৮ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৪১৯ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন তিন লাখ ৮১ হাজার ৪৪৪ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন তিন লাখ ৪০ হাজার ২২৭ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৪১ হাজার ২১৭ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।
খখ/মো মি


