বানারসের কাশীধামের আদলে সীতাকুণ্ড শঙ্করমঠে প্রতিষ্ঠিত হলো বিশ্বনাথ মন্দির

thai foods

খাসখবর ধর্ম ডেস্ক➤ ভারতের বানারসের কাশীধামের আদলে বাংলাদেশে প্রথম সীতাকুণ্ড শঙ্করমঠে প্রতিষ্ঠিত হলো বিশ্বনাথ মন্দির। মঠের শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষে ৮ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন বুধবার (১৭ নভেম্বর) বিশ্বনাথ মন্দিরের উদ্বোধন করা হয়।

thai foods

সকাল সাড়ে ৮টায় মন্ত্র উচ্চারণ ও ফিতা কেটে মন্দিরের উদ্বোধন করেন শঙ্করমঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ তপনানন্দ গিরি মহারাজ।

মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্জ্বালন করেন আমেরিকার কলরেডো নিবাসী পরমানন্দ সরস্বতী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকার রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ পূর্ণাত্মানন্দজী মহারাজ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ শক্তিনাথানন্দজী মহারাজ ও দানবীর লায়ন অদুল চৌধুরী।

সকাল ৯টায় বিশ্বনাথ শিব প্রতিষ্ঠা ও রুদ্রাভিষেক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর আচার্যপাদ পরমহংস স্বরূপানন্দ গিরি মহারাজের ১৫০তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে সনাতন ধর্ম মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

মঠের অধ্যক্ষ তপনানন্দ গিরি মহারাজের সভাপতিত্বে ও মঠের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর কেশব কুমার চৌধুরীর সঞ্চালনায় ধর্ম মহাসম্মেলনে অংশ নেন শতবর্ষ উৎসব উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক জগদীশ্বরানন্দ ব্রহ্মচারী, অতিরিক্ত সম্পাদক রূপকানন্দ ব্রহ্মচারী, যুগ্ম সম্পাদক পুলকানন্দ ব্রহ্মচারী, মঠের সহ-সভাপতি অধ্যাপক তড়িৎ কুমার ভট্টাচার্য, যুগ্ম সম্পাদক বাসুদেব দাশ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক রণজিত কুমার শীল, প্রকৌশলী সুবল চন্দ্র শীল, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক প্রসেনজিত কুমার শীল, প্রবাসী সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী সনজিত কুমার শীল, ব্যবসায়ী সুজন শর্মা, গৌরাঙ্গ শীল, শ্যামল শীল প্রমুখ।

অনুষ্ঠান উপলক্ষে সকাল থেকে গুরুপূজা, অখণ্ড গীতাপাঠের ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ মনোহারিত্ব অনুষ্ঠান, বিশ্বশান্তি গীতাযজ্ঞ, মঙ্গলারতি, গুরু বন্দনা, হরি ওঁ কীর্ত্তন, চণ্ডী ও বেদ পাঠ করা হয়।

পূর্ণাত্মানন্দজী মহারাজ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে পালিত হচ্ছে শঙ্করমঠের শতবর্ষপূর্তি উৎসব। একইসঙ্গে  শুভ উদ্বোধন হয়েছে বিশ্বনাথ মন্দিরের। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময় থেকে অনেক চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার আদর্শ ও দর্শনে এবং অবকাঠামোগতভাবে শঙ্কর মঠ আজ শতবর্ষ অতিক্রম করছে। শতবর্ষের শ্রেষ্ঠ আধ্যাত্ম চেতনাসমৃদ্ধ উপহার হিসেবে শঙ্করমঠ ও মিশনের সঙ্গে বিশ্বনাথ মন্দিরকে সংযোজন করেছেন মঠের অধ্যক্ষ তপনানন্দ গিরি মহারাজ। যারা বিভিন্ন কারণে ভারতের বানারসের কাশীধামে গিয়ে বিশ্বনাথ মন্দির দর্শনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন তারা সীতাকুণ্ড শঙ্করমঠে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বনাথ মন্দির দর্শনে জীবনকে ধন্য করতে পারবেন।

খখ/মো মি

আগেআইসিসির পুরুষ ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান হলেন সৌরভ গাঙ্গুলি
পরে‘১৫ লাখ রোহিঙ্গা যদি আশ্রয় পায়, তাহলে আড়াই কোটি হিন্দু কেন নিজ দেশে অধিকার নিয়ে থাকতে পারবে না’