নিউ মার্কেটের সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপি নেতা মকবুল হোসেন গ্রেপ্তার

thai foods

খাসখবর জাতীয় ডেস্ক➤রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

thai foods

শুক্রবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে ধানমন্ডির বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এই বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার। মামলার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, নিউ মার্কেট ও ঢাকা কলেজ সংঘর্ষে বেআইনি জনতাবদ্ধে পুলিশের সরকারি কাজে বাধা প্রদান, পুলিশের ওপর আক্রমণ, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে জখম ও ভাঙচুর করার অপরাধে নিউ মার্কেট থানার মামলার এক নম্বর আসামি অ্যাডভোকেট মকবুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে নিউ মার্কেট থানায় হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে, সোমবার রাতে ব্যবসায়ী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। মঙ্গলবার দিনভর দফায় দফায় চলে সংঘর্ষ। বুধবার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে আসে। সংঘর্ষের ঘটনায় মারা গেছেন দুজন, আহত হয়েছেন দুই শতাধিক।

বুধবার রাতে পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করে  নিউ মার্কেট থানায়। এর মধ্যে একটি পুলিশের ওপর হামলার দায়ে, আরেকটি বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে।

পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা এক হাজার জনকে আসামি করে মামলাটি করা হয়। অন্যদিকে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে করা মামলায় অজ্ঞাত আসামি ২০০ জন।

পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় যাদের নাম দেওয়া হয়েছে, তারা হলেন— অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন, আমির হোসেন আলমগীর, মিজান, টিপু, হাজি জাহাঙ্গীর হোসেন পাটোয়ারী, হাসান জাহাঙ্গীর মিঠু, হারুন হাওলাদার, শাহ আলম শন্টু, শহিদুল ইসলাম শহিদ, জাপানি ফারুক, মিজান বেপারী, আসিফ, রহমত, সুমন, জসিম, বিল্লাল, হারুন, তোহা, মনির, বাচ্চু, জুলহাস, মিঠু, মিন্টু ও বাবুল।

অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন নিউ মার্কেট থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি।

নিউ মার্কেট দোকান মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, যে দুটি দোকান থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত, সেগুলো সিটি করপোরেশন থেকে তার নামে বরাদ্দ দেওয়া। মকবুল আবার দোকান দুটি রফিকুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম নামে দুজনের কাছে ভাড়া দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, সোমবার (১৮ এপিল) রাত ১১টার দিকে কথা কাটাকাটির জেরে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এরপর মঙ্গলবার সকাল থেকে থেমে থেমে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে নাহিদ ও মোরসালিন নামে দুইজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি এবং নিহত দুজনের পরিবারের পক্ষ থেকে দুটি মামলা করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০০ থেকে ৩০০ জন ব্যবসায়ী ও কর্মচারী এবং ৫০০ থেকে ৬০০ জন শিক্ষার্থীকে আসামি করে মামলা করেছে পুলিশ।

খখ/মো মি

আগে“বিশ্বের পরিবেশবান্ধব ১০টি তৈরি পোশাক কারখানার মধ্যে ৭টিই বাংলাদেশে”-প্রধানমন্ত্রী
পরেচট্টগ্রামের পটিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের ছোট ভাই সোহেল খুন