চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে শ্রমিক সর্দার মাসুদ খুনের ঘটনায় সোহাগ ও সাইদুল গ্রেপ্তার

thai foods

খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্কঃ চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে চাঁন মিয়া লেইনে শ্রমিক সর্দার মাসুদ খুনের ঘটনায় সোহাগ ও সাইদুল নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটিও।

thai foods

বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর বাকলিয়া থানা এলাকায় ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানাধীন কাশিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

শুক্রবার (২১ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন— মো. সোহাগ (২২) ও মো. সাইদুল হোসেন (২২)। সোহাগ আমিন হাজী রোড মোজাহের কলোনির এবং সাইদুল তক্তারপুল বিসমিল্লাহ কলোনির বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) অভিযান চালিয়ে বাকলিয়ার মোজাহের কলোনি থেকে মো. সোহাগকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যমতে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার নবীনগরের কাশিপুর এলাকা থেকে ওইদিন দিবাগত রাতে মো. সাইদুল হোসেনকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়।

পরবর্তীতে আসামি সাইদুলের দেওয়া তথ্যমতে শুক্রবার (২১ অক্টোবর) ভোর পৌনে ৫টার দিকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি বাকলিয়া হাজী আমিনুর রহমান সড়কের হিফস এগ্রো ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের পাশে খালি জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত আরেক আসামি রাসেল মিয়া (২২) এখনো পলাতক।

কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহেদুল কবির বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুজনকে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রেপ্তার করা হয় এবং হত্যাকাণ্ডে
ব্যবহ্যত ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

এরআগে গত ১৭ অক্টোবর সকালে রাস্তার ওপর পিকআপ রাখা নিয়ে মো. মাসুদের সঙ্গে পলাতক আসামি রাসেল মিয়ার কথা কাটাকাটি হয়। এরপরই সন্ধ্যায় সামির ট্রেডিং নামক প্রতিষ্ঠানের সামনে আসামি রাসেল মিয়া, সাদ্দাম, সোহাগসহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জন শ্রমিক সর্দার মো. মাসুদকে (৪০) মারধর এবং বুকে ও পেটে ছুরিকাঘাত করে। এরপরে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ অক্টোবর সকালে মো. মাসুদ মৃত্যুবরণ করেন।

এই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন কোতোয়ালি থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) রুবেল হাওলাদার, এস আই মোমিনুল হাসান, ও মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এস আই মৃণাল কান্তি মজুমদার।

খখ/মো মি

আগেবিশ্বের কম সময়ের প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস!
পরেনির্বাচনে ৫ বছর নিষিদ্ধ ইমরান খান!