




খাসখবর প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম ডেস্ক: সিএমপির চান্দগাঁও থানা পুলিশের অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজ চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। চাঁদাবাজ চক্রটি ভিকটিমকে কৌশলে অন্যায়ভাবে আটক করে চাঁদা আদায় করে। এ চক্রটি দীর্ঘদিন যাবত এ কাজ করে আসছিল।
এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চান্দগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো খাইরুল ইসলাম। তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিরা সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজচক্রের সদস্য। তারা ইতোপূর্বে একাধিক ব্যক্তিকে কৌশলে তাদের আস্তানায় নিয়ে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ভিকটিমদের উলঙ্গ করে মোবাইলে ভিডিও ধারন করে। ধারণকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করে নগদ টাকা আদায় করে থাকে।
গ্রেফতার চাঁদাবাজ চক্রের সদস্যরা হলো, চট্টগ্রামের পটিয়া থানার জিরি ইউনিয়নের মালিয়ারা আলমের বাড়ীর আবুল কালামের ছেলে মোহাম্মদ হাসনাত উদ্দিন প্রকাশ নয়ন (২৭), হাটহাজারী থানার এনায়েতপুরের মনিয়াপুকুর পাড়ের সিকদার বাড়ীর
খোরশেদুল আলমের ছেলে মোঃ শাহিদুল আলম প্রকাশ রাকিব (২২), সাতকানিয়া থানার আমিরাবাদের চিটুয়া পাড়ার রহিম হাজীর বাড়ীর
আনোয়ার হোসেনের ছেলে মোঃ শাকিব (২০), সাতকানিয়া থানার সিকদার পাড়ার জুফিয়া বাপের বাড়ীর মোঃ জাকারিয়ার ছেলে তাওহিদুল ইসলাম প্রকাশ রিফাত (১৯), সাতকানিয়া থানার ছদহা ঠাকুরদিঘী হাজী ননু চৌধুরী বাড়ীর মোঃ ইসমাইলের ছেলে ইয়াছিন ইকবাল তাওসিফ (২০), কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানার সোনা পাড়া বাজারের মোঃ আকবর এর বাড়ীর মোঃ ইছার ছেলে মোঃ মারুফ (২২)।
পুলিশ জানায়, গত ১৪ এপ্রিল রাত ৯টার সময় থানাধীন বহদ্দারবাড়ির আছি শাহ মাজারের পশ্চিম পাশে বাড়াই পাড়া রোডে ওসমান ভবনের নিচতলার একটি রুমে চাঁদাবাজ চক্রের এ সদস্যরা
ভিকটিম নাজিমুল ইসলাম চৌধুরী (৫৫)’কে চাঁদা দাবীতে অন্যায় আটক করে রাখে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর, ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়। পরে তিনি দাবিকৃত চাঁদা দিয়ে মুক্ত হয়ে চান্দগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা রুজুর পর চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, ধৃত আসামীরা ইতোপূর্বে একাধিক ব্যক্তিদেরকে কৌশলে তাদের আস্তানায় নিয়ে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ভিকটিমদের উলঙ্গ করে মোবাইলে ভিডিও ধারন করে। ভিডিও ধারনের পর ধারণকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করে নগদ টাকা আদায় করে থাকে। ধৃত আসামীরা উল্লেখিত মামলার ঘটনা ছাড়াও একইভাবে একাধিক ঘটনা ঘটিয়েছেন।
খখ/মো মি


