খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্ক: চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন মা ও তার দুই ছেলে। গুরুতর আহত ১০ বছর বয়সী সুমাইয়া বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জুন) রাতে উপজেলার ফাজিলখাঁর হাট এলাকার পটিয়া-আনোয়ারা-বাঁশখালী (পিএবি) সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, পটিয়া থানার জিরি গ্রামের বাসিন্দা শফিউল আলমের স্ত্রী কোহিনুর বেগম (৪৩) এবং তার দুই ছেলে মো. মানিক (১৭) ও মো. মিরাজ (২৩)। এ দুর্ঘটনায় কোহিনুরের মেয়ে সুমাইয়া (১০) গুরুতর আহত হয়েছে। সুমাইয়া বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর্জা মোহাম্মদ হাসান জানান, আনোয়ারা থেকে বাসটি শহরের দিকে যাচ্ছিল। বিপরীতমুখী সিএনজি অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
দুর্ঘটনার পর বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে
চালক পলাতক রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের শিকলবাহা ক্রসিং থেকে নিহত কোহিনুর তিন ছেলেমেয়ে নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে চাতরি চৌমুহনীর দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় ডাকপাড়া ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই কোহিনুর আকতার নিহত হন। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় কোহিনুরের দুই ছেলে মিরাজ, মানিক ও শিশু সুমাইয়াকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মিরাজ ও মানিককে মৃত ঘোষণা করেন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই নুরুল আলম আশিক জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় তিন জনকে হাসপাতালে আনার পর দুইজনকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অপরজন চিকিৎসাধীন আছেন।
আহতদের চমেক হাসপাতালে নেয়া মো. মনজুরুল আলম নিহতের স্বজনদের বরাতে জানান, মানিক এবছর পটিয়ার একটি স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। পরীক্ষা শেষে তারা পটিয়ার শান্তির হাটের বাসা থেকে আনোয়ারা মোহছেন আউলিয়া এলাকায় নানা বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন।
খখ/মো মি


