খাসখবর জাতীয় ডেস্ক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, কোনো অপরাধ ছাড়া পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করছে না। ভিডিও ফুটেজে যাদের অপরাধ করতে দেখা গেছে, যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে কেবল তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।
সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা প্রধান বিচারপতির বাড়িতে ঢুকেছে, বিচারকদের জাজেজ কোয়ার্টারে ঢিল ছুঁড়েছে, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যদের পিটিয়ে হত্যা করেছে; সেইসব ভিডিও ফুটেজ দেখে অপরাধীদের ধরা হচ্ছে।
তিনি বলেন, যারা এসবের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তারা এই দায় অস্বীকার করতে পারবেন না। সেদিন তারা কিন্তু বসেছিলেন। তারা বলেছিলেন নাইটেঙ্গেল ও ফকিরাপুলের দিকে যাবেন না। আমরা দেখলাম হাজার খানেক নেতাকর্মী লাঠিসোটা নিয়ে প্রধানবিচারপতির বাসার সামনে অবস্থান করছে। প্রথম থেকেই তারা কোনো ডিসপ্লিন মানেননি। আমরা অন্যান্য দলের অবস্থানও দেখেছি সেদিন। তারা শৃঙ্খলভাবে সমাবেশস্থলে এসেছেন এবং শৃঙ্খলভাবে চলে গেছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেদিন মঞ্চে যারা বসেছিলেন তারা দায় এড়াতে পারেন না। তারা সেদিন পুলিশ হত্যা করেছে, নিরীহ মেয়েদের লাঠিপেটা করেছে, প্রধান বিচারপতির বাড়ি আক্রমণ করেছে, সাংবাদিকদের ওপরে চড়াও হয়েছে। যেখানে যা পেয়েছে সেখানে অগ্নিসংযগ করেছে- এটা আন্দোলন নয়। এটা কোনোদিন নেওয়া যায় না।
তিনি বলেন, মঞ্চে সেদিন বর্ষীয়ান নেতারাও বসেছিলেন। আমরা ভেবেছিলাম তারা এতদিনের অভিজ্ঞ নেতা তারা এসব ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করবেন। আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে চেয়েছিলাম, সেখানে কিছু দুষ্কৃতকারী এর মধ্য থেকে এসব করেছে- এরকম একটা কিছু বলবে। কিন্তু তারা সেটা না করে তারপরের দিন আরও কঠোর আন্দোলন হরতাল ঘোষণা করল।
তিনি আরও বলেন, কঠিন কর্মসূচির প্রথম প্রহরেই আমরা দেখলাম বাসের মধ্যে ঘুমিয়ে থাকা শ্রমিকসহ বাসটি পুড়িয়ে দেওয়া হলো। তারপর দেখলাম অনেকগুলো বাস পার্কিং করা ছিল-সেগুলোও পুড়িয়ে দেওয়া হলো। তারা ২৮ তারিখ সমাবেশের সময় ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করল না; উল্টো কঠোর কর্মসূচি দিলো। তারপর যানবাহন পোড়ানো শুরু হলো, মানুষ পোড়ানো হলো। এসবের দায়তো তারা এড়াতে পারেন না।
খখ/মো মি


