খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহনগরীর ইপিজেড থানা এলাকায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে খুন করা হলো ১২ বছর বয়সী শিশু অপহৃত আবদুল্লাহকে। আজ ১৪ ডিসেম্বর সকালে ইপিজেড থানার বন্দরটিলায় ড্রেনে মিলেছে অপহৃত শিশুর বস্তাবন্দি লাশ।
পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটিকে অপহরণের পর ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে না পেয়ে খুন করা হয়েছে।
এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শিশুটির পরিবার। তাদের দাবি, দ্রুততম সময়ে অপহৃত শিশুটিকে উদ্ধারে থানা পুলিশ তৎপর হলে এ নির্মম ঘটনা ঘটত না।
বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে বন্দরটিলা এলাকার হামিদ আলী সুকানীর বাড়ির পেছনের ড্রেন থেকে অপহৃত শিশুটির লাশ বস্তাবন্দি উদ্ধার করা হয়।
অপহরণের পর খুন হওয়া ওই শিশুর নাম মো. আবদুল্লাহ (১২)। সে বরিশালের ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া এলাকার বর বানাই গ্রামের মাহমুদ তালুকদারের ছেলে।
ইপিজেড থানার ওসি (তদন্ত) জামাল উদ্দিন জানান, গতকাল (বুধবার) সকাল থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শিশুটির বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, ওই শিশুটিকে অপরহণ করে তাদের কাছে কল দিয়ে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। শিশুটির বাবা প্যাসিফিক জিন্স নামক একটি গার্মেন্টসে কাজ করে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে কে বা কারা শিশুটির বস্তাবন্দি লাশ দুই ভবনের মাঝখানে ফেলে চলে যায়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খখ/মো মি


