খাসখবর বিনোদন ডেস্ক: ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির এক দিনের মাথায় জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমণি।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।
তাঁর পক্ষে আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুনাইদের আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।
এর আগে রবিবার (২৬ জানুয়ারি) মামলার শুনানিতে হাজির না হওয়ায় পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। পাশাপাশি চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
এ বিষয়ে অভিনেত্রীর আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী বলেছিলেন, ‘আজ (রবিবার) মামলার চার্জ শুনানি ছিল। অসুস্থ থাকায় পরীমণি আদালতে হাজির হতে পারেননি। অপর আসামি জিমির পক্ষেও সময় আবেদন করা হয়। আদালত সময় আবেদন নামঞ্জুর করেন। তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের আদেশ দেন। গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করেন।’
২০২২ সালের ৬ জুলাই বেশ কিছু অভিযোগ তুলে পরীমণির বিরুদ্ধে মামলাটি করেন নাসির উদ্দিন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরীমণি ও তাঁর কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এ মামলার অভিযোগে বলা হয়, পরীমণি ও তার সহযোগীরা অ্যালকোহলসেবী। সুযোগ বুঝে তারা বিভিন্ন দামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। পরীমণি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করে হয়রানির ভয় দেখান।
অভিযোগনামায় আরও বলা হয়, পরীমণি ও তাঁর সহযোগীরা নাসির উদ্দিনকে মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন ও ভাঙচুর করেছেন। এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরীমণি সাভার থানায় বাদীসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন।
এ ছাড়া ২০২১ সালের ৫ আগস্ট রাজধানীর বনানী বাসা থেকে র্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার হন পরীমণি। পরে বনানী থানায় দায়ের করা একটি মাদক মামলায় তাঁকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। দীর্ঘ ২৭ দিন পর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
খখ/মো মি


