খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্ক: বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ, চট্টগ্রাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে জানাচ্ছে যে, গত ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন ব্যাংক গঠনের লক্ষ্যে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বিস্তারিত স্কিম বা কর্মসূচি প্রকাশ করেছে।
ক্ত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক—এই পাঁচটি ব্যাংককে ‘আমানত সুরক্ষা আইন’-এর আওতায় গ্রাহকদের আমানত যেকোনো সময় সম্পূর্ণভাবে উত্তোলনযোগ্য বলে উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে এর কোনো কার্যকর বাস্তবায়ন লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ, চট্টগ্রামের আহ্বায়ক জাহিদুল করিম কচি এবং সদস্য সচিব ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতিতে এসব তথ্য তুলে ধরেন।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেসব গ্রাহকের আমানত দুই লাখ টাকার বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে অর্থ কিস্তিতে উত্তোলনের সুযোগ থাকবে। কেবল চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাবের অর্থ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তোলন করা যাবে এবং সম্পূর্ণ অর্থ উত্তোলনে সর্বোচ্চ ২৪ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট পাঁচটি ব্যাংকের নিয়ম লঙ্ঘনের ফল হলেও, এর কারণে পেশাজীবি পরিষদ নেতৃবৃন্দকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বছরের প্রথম কার্যদিবস থেকে ঢাকায় কিছু গ্রাহককে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ রোববারের পর আসতে বলা হলেও আজ সোমবারও (৫ জানুয়ারি) সারাদেশে একই ধরনের পরিস্থিতি বিরাজ করছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক ও উদ্বেগজনক।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে ব্যাংকে রক্ষিত গ্রাহকদের অর্থ দ্রুত ফেরত দেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি এ সংকটের জন্য দায়ী সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
খখ/মো মি


