খাসখবর আন্তর্জাতিক ডেস্ক➤ দুটির বেশি সন্তান নেওয়া যাবে না বলে যে নীতি ছিল সেটি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীন। এখন থেকে সর্বোচ্চ তিনটি সন্তান নিতে পারবে দেশটির দম্পতিরা।
সোমবার (৩১ মে) এ খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম সিনহুয়ার বরাত দিয়ে সেখানে বলা হয়েছে, সোমবার পলিটব্যুরোর এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২০ সালের আদমশুমারিতে দেখা গেছে চীনের প্রজনন হার অনেকাংশেই হ্রাস পেয়েছে, এক্ষেত্রে চীনা দম্পতিরা জানিয়েছেন সাশ্রয়ী স্বাস্থ্য সেবার অভাবেই সন্তান নিতে চাচ্ছেন না তারা।
আদমশুমারির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৬০ এর দশকের পর গত বছরই চীনে জন্মহার সবচেয়ে কম ছিল। যদিও দেশটির মোট জনসংখ্যা এখনও ঊর্ধ্বগামী। তবে গত কয়েক দশকের তুলনায় জনসংখ্যা বাড়ার গতি এখন সব থেকে কম। তাই অনেকেই আশঙ্কা করছে, যেমনটা পূর্বাভাস করা হয়েছিল তার তুলনায় দ্রুততর সময়ে চীনের মোট জনসংখ্যা হ্রাস পেতে শুরু করবে।
জন্মহার অতিরিক্ত হ্রাস পাওয়া একটি দেশের জনভারসাম্যের জন্য সংকটের। কারণ, জন্মহার হ্রাস পেলে দেশে তরুণদের তুলনায় বৃদ্ধ মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাবে। অর্থনীতিতে যার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কর্মশক্তির তুলনায় দেশে পেনশনভোগীর সংখ্যা বেড়ে যাবে। স্বাস্থ্য সেবা এবং সামাজিক পরিষেবার চাহিদাও বাড়বে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, চীন সরকার সন্তান জন্মদান নীতি শিথিল করলেও দম্পতিদের সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করতে আর কোনও প্রণোদনার ব্যবস্থা করেনি। যেমন: শিশুদের শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা বা শিশুযত্ন পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ।
চীনে জীবনযাত্রা ব্যয় অনেক বেড়ে যাওয়ায় শুধুমাত্র শিশুদের খরচ বহন করতে চান না বলে অনেক দম্পতি সন্তান জন্ম দিচ্ছেন না বলেও জানান বিশেষজ্ঞরা।
খখ/মো মি


