‘শাটডাউনসহ যেকোনো সময় বড় সিদ্ধান্ত আসতে পারে’-প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন

thai foods

খাসখবর জাতীয় ডেস্ক➤সারাদেশে ১৪ দিনের ‘শাটডাউনের’ সুপারিশ করেছে পরামর্শক কমিটি। এরপ্রেক্ষিতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন,করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে যেকোনো সময় সারাদেশে শাটডাউনসহ বড় সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

thai foods

সর্বসম্মতিক্রমে সারাদেশে কমপক্ষে ১৪ দিন সম্পূর্ণ ‘শাটডাউন’ দেওয়ার সুপারিশ করছে সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) কোভিড কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, দেশে করোনা ভাইরাসের ডেল্টা ধরনের সামাজিক সংক্রমণ চিহ্নিত হয়েছে। ইতোমধ্যে এর প্রকোপ অনেক বেড়েছে। ডেল্টা ধরনের সংক্রমণ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। বর্তমান পরিস্থিতিতে রোগে বিস্তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া এবং জনগণের জীবনের ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে সারাদেশে কমপক্ষে ১৪ দিন সম্পূর্ণ ‘শাটডাউন’ দেওয়ার সুপারিশ করছে।

জরুরি সেবা ছাড়া যানবাহন, অফিস-আদালতসহ সবকিছু বন্ধ রাখা প্রয়োজন। এ ব্যবস্থা কঠোরভাবে পালন করতে না পারলে আমাদের যত প্রস্তুতিই থাকুক না কেন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অপ্রতুল হয়ে পড়বে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য সর্বাত্মক উদ্যোগ নিয়েছেন। এজন্য সভায় তাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। এ রোগ থেকে পূর্ণ মুক্তির জন্য ৮০ শতাংশের ঊর্ধ্বে মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া প্রয়োজন।

গত কয়েক দিন ধরে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার মধ্যে সবশেষ বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) দেশে ৬ হাজার ৫৮ জন শনাক্ত হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ৮১ জনের।

সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি একই দিন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া ও জনগণের জীবনের ক্ষতি প্রতিরোধ করার জন্য সারাদেশে কমপক্ষে ১৪ দিন সম্পূর্ণ ‘শার্টডাউন’ দেওয়ার সুপারিশ করছি।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা তাদের সুপারিশ অ্যাকটিভ কনসিডারেশনে (সক্রিয় বিবেচনা) নেবো। এটি কমানোর জন্য যেটি করা প্রয়োজন হবে আমরা সেটি করবো।

ফরহাদ হোসেন বলেন, আমরা বিভিন্নভাবে সংক্রমণ কমানোর চেষ্টা করছি। স্থানীয়ভাবে বিধি-নিষেধ দিয়ে এটাকে কন্ট্রোল করার চেষ্টা করছি। পরিস্থিতি বিবেচনা করে যেটা প্রয়োজন হবে সেটাই আমরা করবো।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেহেতু সংক্রমণটা ঊর্ধ্বমুখী, দৈনিক সংক্রমণ ছয় হাজার ছাড়িয়ে গেছে। সরকার পরিস্থিতি খুব গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে যেটি উপযুক্ত হবে, সেই সিদ্ধান্তই আমরা নেবো। পরিস্থিতি বিবেচনা করে যে কোনো সময় আমরা যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবো।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগেরবার সংক্রমণ সাত হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ইতোমধ্যে ঢাকার আশপাশের এলাকাগুলোতে কঠোর বিধি-নিষিধে দিয়েছি। তারপরও ঢাকার মধ্যে লোকজন এসে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বাস, ট্রেন, যাত্রীবাহী নৌযান বন্ধ করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেই কিন্তু আমরা এই সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছি ।

চলমান বিধি-নিষেধ আগামী ১৫ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়িয়ে গত ১৬ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পরে ঢাকাকে বিচ্ছিন্ন করে সাত জেলায় লকডাউন শুরু হয় গত ২২ জুন।

খখ/মো মি

আগেদেশে করোনার টিকা গ্রহীতা ১ কোটি ১ লাখ
পরেচতুর্থ ধাপে প্রকাশ করা হলো ২৯৭৩ জন মুক্তিযোদ্ধার তালিকা