খাসখবর মহামারী ডেস্ক➤ করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমছেই না। টানা চারদিন করোনায় মৃত্যু হয়েছে দুই শতাধিক জনের। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৮ হাজার ৩২৫ জনে। এর আগে গতকাল ১৯ জুলাই দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ২৩১ জনের।
মঙ্গলবার (২০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১১ হাজার ৫৭৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে । এ নিয়ে দেশে শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১১ লাখ ২৮ হাজার ৮৮৯ জনে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৯৯৭ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৯ লাখ ৫১হাজার ৩৪০ জন।
সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৩৮টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩০টি, জিন এক্সপার্ট ৫১টি, র্যাপিড অ্যান্টিজেন ৪৫৭টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ৩৯ হাজার ২০৪টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৯ হাজার ৮০৬টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭২ লাখ ৫৫ হাজার ৩৮৭টি।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৪০ হাজার ৯৮২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও ৩৯ হাজার ৫১০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যেখানে শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৩১ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৯৯৭ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৯ লাখ ৫১ হাজার ৩৪০ জন।
বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ২০০ জনের মধ্যে ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে ১ জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ৮ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩৫ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৬২ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪৮ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৭ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছয়জন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।
এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৩ হাজার ৭৮৩ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৭৩ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন দুই লাখ ৫৪ হাজার ৪৭৭ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭৯৫ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৭৬ হাজার ৬৮২ জন।
২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১১১ জন ও মহিলা ৮৯ জন। যাদের মধ্যে বাসায় ৬ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন।
একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৫১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ১২ জন, খুলনা বিভাগে ৫০ জন, বরিশাল বিভাগে ৭ জন, সিলেট বিভাগে ১১ জন, রংপুর বিভাগে ১২ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৮ জন মারা গেছেন।
গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।
খখ/মো মি


