‘লকডাউন’ বানচালের পরিকল্পনাঃ গোপন বৈঠক থেকে জামায়াত-শিবিরের ১৯ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

thai foods

খাসখবর মহানগর ডেস্ক➤ চট্টগ্রামে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামি ছাত্র শিবিরের ১৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ১২টার দিকে নগরের চান্দগাঁও থানার অদুরপাড়ার একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 

thai foods

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারকৃতরা সরকার ঘোষিত লকডাউন বানচাল করতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নাশকতার পরিকল্পনা করতে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়।

পুলিশ জানায়, কয়েকবছর ধরে পর্দার আড়ালে থাকার পর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতিকে পুঁজি করে জামায়াত-শিবির প্রকাশ্যে আসার পরিকল্পনা করেছিল। লকডাউনে আর্থিক সংকটে পড়া গরিব-নিম্ন আয়ের মানুষকে সহায়তার নামে তাদের উসকানি দিয়ে এবং মসজিদে নামাজ আদায় বন্ধ করে দেওয়ার গুজব ছড়িয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি, সড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচির পরিকল্পনা ছিল জামায়াত-শিবিরের।

সোমবার (২৬ জুলাই) রাতে নগরীর চান্দগাঁও থানার অদুরপাড়া বানিয়ারপুল মাজার গেইটে একটি ভবনের তৃতীয় তলায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ জামায়াত-শিবিরের ১৯ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে। ওই বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে- জামায়াত ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক বই ও দলিল এবং চাঁদা আদায়ের রসিদ।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন- স্থানীয় মসজিদের ইমাম মো. ইসহাক, চান্দগাঁও থানা (উত্তর) সভাপতি আবুল হাসান মো. ইয়াসিন, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম, সহকারী বায়তুল মাল সম্পাদক মো. ইসকান্দর, আবু হোসেন এরশাদ, মুজিবুল হক জাবেদ, মোর্শেদুল আলম, আবুল কাশেম, মো. মিরাজ, শওকত হোসেন, আলী আজগর, শহিদুল ইসলাম বেলাল, আবু সালেহ মো. রিফাত, আবু বক্কর ছিদ্দিক মমিন, আনোয়ার খালেদ, সাইফুল ইসলাম, ফরহাদুল ইসলাম, জাকির হোসেন ও শেখ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘চলমান লকডাউন বিরোধী কর্মকাণ্ড সংঘটিত করতে জামায়াত-শিবিরের একদল নেতাকর্মী গোপন বৈঠক করছে এমন তথ্য পেয়ে আমরা অভিযান চালাই। অভিযানে আমরা ১৯ জনকে আটক করতে সক্ষম হই। তবে আরও ১০-১২ জন পালিয়ে গেছে। গ্রেফতার নেতাকর্মীদের কাছ থেকে আমরা প্রাথমিকভাবে তথ্য পেয়েছি যে, লকডাউন বানচালের একটা কর্মসূচি তারা সাংগঠনিকভাবে নিয়েছিল। এজন্য পরিকল্পিতভাবে নাশকতা সংঘটনের উদ্দেশে তারা বৈঠকে বসেছিল। তবে আমরা তাদের এই চক্রান্ত নস্যাৎ করেছি।’

চান্দগাঁও থানার অপারেশন অফিসার এস আই মো নুরুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে। আমরা তাদের রিমান্ডে নিয়ে আরও বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করব। করোনার কারণে আমরা সবাইকে একসঙ্গে রিমান্ডে নিতে পারছি না। সেজন্য সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ চারজনকে পাঁচদিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছি। আদালত শুনানি পরে করবেন বলে নির্দেশ দিয়েছেন। তাদের সবাইকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

খখ/মো মি

আগে‘লকডাউন’ বানচালের পরিকল্পনাঃ গোপন বৈঠক থেকে জামায়াত-শিবিরের ১৯ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
পরেদেশে ১ কোটি ৫ লাখ মানুষ করোনা টিকার আওতায়!