খাসখবর মহামারী ডেস্ক➤ দেশে দিন দিন করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। কমতে শুরু করেছে করোনাভাইরাসে মৃত্যু ও শনাক্তের হার। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৫ হাজার ৬২৭ জনে।
বুধবার (২৫ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
যেখানে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ হাজার ৬৪০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ৪ হাজার ৯৬৬ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৪ লাখ ৭৭ হাজার ৯৩০ জনে।
এতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন সাত হাজার ৮০৮ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৩ লাখ ৮৯ হাজার ৫৭১ জন।
সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৮৮ টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে।
এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩৬টি, জিন এক্সপার্ট ৫৪টি, র্যাপিড অ্যান্টিজেন ৫৯৮টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ৩৩ হাজার ৩৪৪টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৩ হাজার ৬৪০টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৮৭ লাখ ৫৪ হাজার ৬৫৪টি।
গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৮৮ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৪ শতাংশ ২ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৭ হাজার ৮০৮ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৮৯ হাজার ৫৭১ জন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ১১৪ জনের মধ্যে ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ২৫ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৪০ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ২৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৫ জন ও ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ২ জন রয়েছে।
এদিন আইসোলেশনে এসেছেন এক হাজার ৪১৪ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন দুই হাজার ৫২০ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন তিন লাখ ৫৮ হাজার ৬০৪ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন দুই লাখ ৯৩ হাজার ৯২৬ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৬৪ হাজার ৬৭৮ জন।
২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৬২ জন ও মহিলা ৫২ জন। যাদের মধ্যে বাসায় সাতজন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩ জন, বরিশাল বিভাগে ৪ জন, সিলেট বিভাগে ৯ জন, রংপুর বিভাগে ৬ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৬ জন মারা গেছেন।
খখ/মো মি


