৪ মাস পর করোনায় সর্বনিম্ন ১৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১১৭৮

thai foods

খাসখবর মহামারী ডেস্ক➤ ৪ মাস পর করোনায় সর্বনিম্ন মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা গত চারমাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে গত ২৬ মে ১৭ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছিলো স্বাস্থ্য অধিদফতর। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৭ হাজার ৪৮৭ জনে। একই সময় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৭৮ জন।

thai foods

বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনাভাইরাসের নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ হাজার ৫৯৯ জনের নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৪ দশমিক ১২ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৫৫ হাজার ৫১ জনে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৮৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ১৪ হাজার ৯৬২ জন।

সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮২১টি ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ২৮ হাজার ২৬০টি এবং নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৮ হাজার ৫৯৯টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯৭ লাখ চার  হাজার ৭২২টি।

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হাড় চার দশমিক ১২ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ০২ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

এছাড়া নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৮৬ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ১৫ লাখ ১৪ হাজার ৯৬২ জন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ১৭ জনের মধ্যে ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে একজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে চারজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে চারজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে একজন ও ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছে।

মারা যাওয়াদের মধ্যে ১০ জন পুরুষ ও ৭ জন নারী। এদের মধ্যে সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩ জন, রাজশাহী বিভাগে একজন ও খুলনা বিভাগে একজন মারা গেছেন।

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ২৮৩ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৬৫৮ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন তিন লাখ ৮০ হাজার ৬৪৫ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন তিন লাখ ৩৮ হাজার ৭৩৯ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৪১ হাজার ৯০৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।

খখ/মো মি

আগে‘রাশিয়ার মতো নির্বাচন করা সম্ভব না, কবে সম্ভব হবে তাও জানি না’-সিইসি
পরেকক্সবাজারে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ নিহত