খাসখবর রাজনীতি ডেস্ক➤ >জাতীয় পার্টির মহাসচিব, সাবেক মন্ত্রী ও ডাকসুর সাবেক জিএস জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু আর নেই। তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। শনিবার (২ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
শনিবার (২ অক্টোবর) রাত ১০-৩৫ মিনিটে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন জাপা চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি দেলোয়ার জালালী।
তিনি বলেন, এশার নামাজের পর জিয়াউদ্দিন বাবলুর নামাজের জানাজা গুলশান আজাদ মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
জানাজা শেষে লাশ নিয়ে যাওয়া হয় মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে। সেখানে জাপা মহাসচিবের দাফন সম্পন্ন হয়।
এর আগে দুপুর ১টার দিকে কাকরাইল চত্বরে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রয়াত মহাসচিবের মৃতদেহ আনা হয়। এরপর সেখানে হাজারো নেতাকর্মী অশ্রুসিক্ত নয়নে বিদায় জানান জিয়াউদ্দিন বাবলুকে।
দলের সদ্য প্রয়াত মহাসচিবকে শেষবারের মতো দেখতে এসে জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন, তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৮০’ এর দশকে তিনি ডাকসুর সেক্রেটারী জেনারেল হিসেবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছিলেন। দেশ ও জাতির কল্যাণে তিনি নিজেকে উৎসর্গ করে গেছেন। দেশ ও জাতির কল্যাণে তিনি সত্য কথা বলেছেন। যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত ছিলেন। বাবলুর মতো দক্ষ নেতাকে হারিয়ে জাতীয় পার্টিতে শূন্যতা সৃষ্টি হলো।
এসময় জাপার কো-চেয়ারম্যান ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, জিয়াউদ্দিন বাবলু অত্যন্ত স্পষ্টবাদী ছিলেন। ছাত্র রাজনীতি করেছেন, মহাজোট গঠনে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল। দলের জন্যই, দলের কাজ করতে গিয়ে তিনি করোনায় আক্রান্ত হন। তিনি চিরদিনের মতো আমাদের কাছ থেকে চলে গেলন এটা অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমরা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।
প্রয়াত মহাসচিব স্বরণে তিন দিনের শোক ঘোষণা করেছে দলটি। শনি হ সোমবার পর্যন্ত জাতীয় পার্টির প্রতিটি দলীয় কার্যালয়ে দলীয় ও কালো পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।
শনিবার সকাল ৯টা ১২ মিনিটে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি স্ত্রী ও ১ ছেলেসহ অসংখ্য ভক্ত, অনুরাগী এবং রাজনৈতিক অনুসারী রেখে গেছেন।
সাবেক সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে শিক্ষা উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসা বাবুল দুই দফায় জাতীয় পার্টির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন সাবেক এই মন্ত্রী।
খখ/মো মি


