বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে ৪০ জনের মৃত্যু, আহত-দগ্ধ দেড়শতাধিক

thai foods

খাসখবর বিভাগীয় ডেস্ক➤বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ নামক লঞ্চের ইঞ্জিন থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নিখোঁজের ১৩ ঘণ্টা পার হলেও এখনও সন্ধান মেলেনি বরগুনার নারী ও শিশুসহ প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষের। বিভিন্ন এলাকা জুড়ে চলছে শোকের মাতম।

thai foods

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সেখান থেকে ৪০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, নিখোঁজ প্রায় ১০০জন।

বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত তিনটার দিকে লঞ্চটিতে আগুন লাগে বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন। ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের গাবখান চ্যানেলে এলে লঞ্চ থেকে কিছু যাত্রী নামতে পেরেছেন।

ঝালকাঠি সদর থানার ওসি খলিলুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, লঞ্চে পাঁচ শতাধিক যাত্রী থাকলেও আগুনে ৭০-৮০ জন দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধ বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এর সঠিক সংখ্যা জানাতে পারেননি তিনি।

প্রত্যক্ষ্যদর্শীরা জানান, গতকাল রাত ৩টার দিকে ঝালকাঠি সদরের ধানসিড়ি ইউনিয়নের গাবখান চ্যানেলে এমভি অভিযানের ইঞ্জিন রুমে আগুন লাগে। দ্রুত তা পুরো লঞ্চে ছড়িয়ে পড়লে প্রাণ বাঁচাতে অনেকেই নদীতে ঝাপ দেন। লঞ্চটি ঢাকা থেকে বরগুনা যাচ্ছিল।

আহত ব্যক্তিদের ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল ও বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার পর থেকে স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে লঞ্চে থাকা যাত্রীদের। তাই তাদের সন্ধানে বরগুনা নৌবন্দরে এসেছেন অনেকে।

কিন্তু এখানে এসেও কোনো খোঁজ মিলছে না। নিখোঁজ যাত্রীদের তথ্য দেওয়ার মতো কোনো ব্যবস্থা নেই বরগুনা নৌবন্দরে। খোলা হয়নি কোনো কন্ট্রোল রুমও। বিপাকে পড়েছেন দুর্ঘটনাকবলিত লঞ্চের যাত্রীদের স্বজনরা।

লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মোহাম্মদ আল মুজাহিদ। বর্তমানে তিনি ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতদের খোঁজ-খবর নিতে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি সুলতানা নাদিরা। তাদেরকে ঝালকাঠী ও বরিশালের পাঠানো হয়েছে।

বরগুনার বিভিন্ন এলাকার নিখোঁজ যাত্রীদের খুঁজতে ঘটনাস্থলে গেছেন স্বজনরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিসহ পোস্ট দিয়ে খোঁজার চেষ্টা করছেন তারা।

এক প্রত্যক্ষ্যদর্শী জানান, লঞ্চে শিশু, বুড়ো, নারীসহ ৫শ’র বেশি যাত্রী ছিলেন। খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধার কাজ শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয়রা। তবে, কুয়াশার কারণে উদ্ধার কাজে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। এদিকে আহত ৭০ জনকে উদ্ধার করে স্থানীয় ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল ও বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

খখ/মো মি

আগেকরোনায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ১জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৪২
পরে“প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে টাকা আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে”-প্রধানমন্ত্রী