খাসখবর জাতীয় ডেস্ক➤সাবেক রাষ্ট্রপতি ও অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের দাফন আগামীকাল(২০ মার্চ) রবিবার। তাকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এর আগে আজ শনিবার (১৯ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক মেডিক্যাল হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাবেক এই রাষ্ট্রপ্রধান। বার্ধক্যজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে দেশেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাহাবুদ্দীন আহমেদের প্রথম জানাজা নামাজ আজ বিকালে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় নিজ গ্রাম পেমই-তে অনুষ্ঠিত হয়। তার নিজ বাড়ির আঙিনায় অনুষ্ঠিত জানাজায় ইমামতি করেন স্থানীয় মসজিদের খতিব মাওলানা শহিদুল ইসলাম। জানাজা শেষে তার লাশ ফের ঢাকায় আনা হচ্ছে।
পরে ঢাকায় মরদেহ ফিরিয়ে এনে রাতে সিএমএইচের মরচুয়ারিতে রাখা হবে।
আর আগামীকাল রবিবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণস্থ জাতীয় ঈদগা মাঠে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে সাবেক এই রাষ্ট্রপ্রধানকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
পুলিশ ও স্বজনরা জানিয়েছেন, দুপুরে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে প্রথমে তার লাশ কেন্দুয়ায় নেওয়া হয়। সেখান থেকে লাশবাহী গাড়িতে করে বাড়িতে নেওয়া হয়।
এদিকে, তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসীসহ স্বজনরা। তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছেন স্থানীয়রা।
কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মইন উদ্দিন খন্দকার গণমাধ্যমকে জানান, তাকে হেলিকপ্টারে প্রথমে কেন্দুয়ার হেলিপ্যাডে নামানো হয়েছে। পরে লাশবাহী গাড়ি করে বাড়িতে নেওয়া হয়। গার্ড অব অনার দেওয়ার পর জানাজা নামাজ শেষে পুনরায় ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে।
সাহাবুদ্দীন আহমদ সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতি ছিলেন। শনিবার সকালে বার্ধক্যজনিত কারণে ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান।
প্রসঙ্গত, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার পেমই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯০ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
খখ/মো মি


