খাসখবর রাজনীতি ডেস্কঃ সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি ১৩ বছরে ২৬ বার আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েও আন্দোলন করতে ব্যর্থ হয়েছে। নতুন করে আর কি আন্দোলন করবে। বিএনপির আন্দোলনের কথা শুনে মানুষ হাসে।
বৃহস্পতিবার (৫ মে) দুপুরে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন প্রসংগে সেতু মন্ত্রী বলেন, আগামী জুন মাসেই পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করা হবে। ‘পদ্মা সেতু উদ্বোধনের তারিখ পেছানো হয়নি। আগামী জুনেই পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করা হবে।’
বিএনপির আন্দোলন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি ১৩ বছরে ২৬ বার আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েও আন্দোলন করতে ব্যর্থ হয়েছে। নতুন করে আর কি আন্দোলন করবে। বিএনপির আন্দোলনের কথা শুনে মানুষ হাসে।
তিনি বলেন, আমি অসুস্থ থাকার দীর্ঘ সময় এলাকায় আসতে পারিনি। দীর্ঘদিন মা-বাবার কবর জিয়ারত করতে পারিনি।কবর জিয়ারত শেষে এলাকার জনগণকে কাছে পেয়ে আমি অভিভূত।
ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনাকালীন সময়ে এলাকার জন্য যাহা কিছু করার দরকার সবই করেছি।এলাকার সঙ্গে আমার সম্পর্ক কখনো বিচ্ছিন্ন হয়নি। অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর, আইসিইউ প্রতিস্থাপন, খাদ্যসামগ্রী, ত্রাণসামগ্রী দিয়েছি।
তিনি বলেন, যারা আমার ভোটার তাদের মাঝে আসতে পেরে ভালো লাগছে। নিজের বাড়িতে এসেছি, নিজের খাবার খেয়েছি, নামাজ পড়েছি। আমার আজকে অনেক ভালো লেগেছে। যা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নিজ বাড়িতে আসেন এবং মা ও বাবার কবর জিয়ারত করেন ওবায়দুল কাদের। জিয়ারত শেষে এলাকার সাধারণ মানুষ,নেতাকর্মীদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে উপজেলা ডাক বাংলায় কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা শাখার নেতাকর্মীদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে ও কবিরহাট উপজেলা সদর জিরোপয়েন্টে দলীয় সমাবেশে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে সভাপতিত্ব করেন অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম। এসময় বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক ও নোয়াখালী সভার মেয়র শহিদ উল্যাহ খান সোহেল ও শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু। সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আমিন রুমির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র জহিরুল হক রায়হান।
এই দুই সমাবেশে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমার অসুস্থতা ও করোনা মহামারির কারণে আমি আসতে পারিনি। কিন্তু আপনাদের পাশে ছিলাম। আমি যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন আমার অন্তরে হৃদয়ে থাকবে আমার নিজ এলাকা। কবিরহাটে বেশি ভোট পেয়ে আমি নির্বাচিত হয়েছি? সে কথা আমি কিভাবে ভুলে যাবো।
এর আগে ওবায়দুল কাদের নিজ বাড়িতে পৌঁছলে তাকে গার্ড অব অনার দেয়া হয় । এর পর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা মন্ত্রীকে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ ক্রেস্ট প্রদান করেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান, পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম, ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
খখ/মো মি


