কক্সবাজারে শাশুড়িকে হত্যা পর মরদেহ ৬ টুকরো করে মাটিচাপা দেয় পুত্রবধূ রাশেদা

thai foods

খাসখবর বৃহত্তর চট্টগ্রাম ডেস্কঃ কক্সবাজারের রামুতে শাশুড়িকে হত্যা পর মরদেহ ৬ টুকরো করে বাড়ির আঙিনায় মাটিচাপা দেয় পুত্রবধূ রাশেদা বেগম (২৩)। রোববার (১৭ জুলাই) বিকেলে মরদেহ উদ্ধারের পর অভিযুক্ত পুত্রবধূকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

thai foods

এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের মধ্য উমখালী হাজির পাড়ায় এ হত্যার ঘটনা ঘটে।

পুত্রবধূ রাশেদা কক্সবাজার সদরের ভারুয়াখালীর ছোট চৌধুরী পাড়ার সৈয়দ নুরের মেয়ে।

নিহতের নাম মমতাজ বেগম (৬০)। তিনি ওই পাড়ার মৃত আবদুল কাদেরের স্ত্রী। পুত্রবধূ রাশেদা নিহতের আপন ভাতিজি।

স্থানীয় ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আমির হামজা জানায়, মমতাজ বেগমের একমাত্র ছেলে আলমগীর কক্সবাজারের কলাতলীর একটি হোটেলে চাকরি করেন। শনিবার নাইট ডিউটি থাকায় সন্ধ্যার আগেই চলে যান। রাতে শাশুড়ির সঙ্গে বউয়ের ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে শাশুড়িকে হত্যার পর দুই হাত, দুই পা, মাথা বিচ্ছিন্ন করে বাড়ির নলকূপের পাশে মাটিচাপা দেন।

রোববার সকালে বাড়ি এসে মাকে খুঁজলে তিনি রাগ করে চকরিয়ায় মেয়ের বাসায় গেছেন বলে জানায়। চকরিয়ায় মেয়ের বাসায় যায়নি জানতে পেরে বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকেন। দুপুরে বাড়ির নলকূপের পাশে নতুন খোঁড়া মাটি দেখে সন্দেহ হলে অল্প খুঁড়েই মায়ের শাড়ি দেখে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ মমতাজ বেগমের দেহের ছয় টুকরো উদ্ধার করে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাশুড়িকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে পুত্রবধূ। এ ঘটনায় তাকে আটক করা হয়েছে।

অভিযুক্ত রাশেদা স্বীকারোক্তিতে জানান, নিহত মমতাজ বেগমের সঙ্গে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর মৃতদেহ টুকরো টুকরো করে বস্তাবন্দি করে টিউবওয়েলের পাশে মাটিচাপা দেন তিনি।

রামু থানার ওসি (তদন্ত) অরূপ কুমার চৌধুরী জানান, পুলিশ মমতাজ বেগমের মাথা, বিচ্ছিন্ন দুই হাত ও দুই পা উদ্ধার করেছে। পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় অভিযুক্ত পুত্রবধূকে আটক করা হয়েছে। দায়ের করা হয়েছে হত্যা মামলা।

খখ/মো মি

আগেবিদায় নিলেন সিএমপি কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর
পরেসিএমপির ৩১তম পুলিশ কমিশনার হলেন কৃষ্ণপদ রায়