খাসখবর মহামারী ডেস্ক➤ দেশে করোনা পরিস্থিতি দিন দিন উন্নতির দিকে। কমছে শনাক্তের হার। গত বৃহস্পতিবার শনাক্তের হার ছিল ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ। সেখানে আজ শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ১১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৫ হাজার ৮৩৬ জনে।
শুক্রবার (২৭ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। যেখানে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭ হাজার ২৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ৩ হাজার ৫২৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৪ লাখ ৮৬ হাজার ১৫৩ জনে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ছয় হাজার ৪৮৫ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৪ লাখ চার হাজার ৩৭০ জন।
সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৮৯টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩৬টি, জিন এক্সপার্ট ৫৪টি, র্যাপিড অ্যান্টিজেন ৫৯৯টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২৭ হাজার ২৯৪টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৭ হাজার ৫৭৮টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৮৮ লাখ ১৬ হাজার ৩৪৩টি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৪৮৫ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৪ হাজার ৩৭০ জন।
বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ১১৭ জনের মধ্যে ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ১৬ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৩৮ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৯ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১৬ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৯ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে তিনজন ও ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন ও ১০ বছরের কম বয়সী একজন রয়েছে।
এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন এক হাজার ২৫১ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক হাজার ৮৭৮ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন তিন লাখ ৬১ হাজার ২৪৪ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন দুই লাখ ৯৮ হাজার ৮৫৪ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৬২ হাজার ৩৯০ জন।
২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৫৬ জন ও মহিলা ৬১ জন। যাদের মধ্যে বাসায় সাতজন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৪০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৭ জন, রাজশাহী বিভাগে চারজন, খুলনা বিভাগে ১১ জন, বরিশাল বিভাগে ৬ জন, সিলেট বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে পাঁচজন ও ময়মনসিংহ বিভাগে চারজন মারা গেছেন।
খখ/মো মি


