খাসখবর মহামারী ডেস্ক➤ দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ৩৪ জন ও নারী ৩৬ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৬ হাজার ৪৩২ জনে।
শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৯ হাজার ৪৭৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ৩ হাজার ১৬৭ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা ১৫ লাখ ১০ হাজার ২৮৩ জনে।
এতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৬৯৭ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৪ লাখ ৪২ হাজার ৫৮২ জন।
সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৯৬ টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে।
এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩৯টি, জিন এক্সপার্ট ৫৪টি, র্যাপিড অ্যান্টিজেন ৬০৩টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ২৯ হাজার ৪৭৯টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৯ হাজার ৪৩৮টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯০ লাখ ২১ হাজার ১০২টি।
গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৭৪ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৫ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৬৯৭ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৪২ হাজার ৫৮২ জন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ৭০ জনের মধ্যে ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে চারজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ১৪ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ২১ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে তিনজন ও ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছে।
২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৩৪ জন ও মহিলা ৩৬ জন। যাদের মধ্যে বাসায় দুইজন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ২৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৫ জন, রাজশাহী বিভাগে চারজন, খুলনা বিভাগে ১২ জন, বরিশাল বিভাগে চারজন, সিলেট বিভাগে আটজন, রংপুর বিভাগে তিনজন মারা গেছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৮১০ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন এক হাজার ৭৯৭ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন তিন লাখ ৬৮ হাজার ৯১ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন তিন লাখ ১২ হাজার ১৫৭ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৫৫ হাজার ৯৩৪ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।
খখ/মো মি


