খাসখবর জাতীয় ডেস্ক: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কালো মেঘ কেটে আজ আমরা বাংলাদেশের জন্য নতুন সূর্যের আলো নিয়ে এসেছি। যে আলোর পথে বাংলাদেশ যাত্রা শুরু করেছে, সেই পথেই চলবে। এখান থেকে আর পিছে হাঁটবে না। অপ্রতিরোধ্য গতিতে বাংলাদেশ আলোর পথে এগিয়ে যাবে।’
সোমবার (২৭ মার্চ) দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আলোচনায় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ভেতরে না, বাইরে গিয়ে নালিশ করা; কান্নাকাটি করা এটাই তাদের চরিত্র। তারা মনে করে বিদেশ থেকে এসে তাদের ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে। বাংলার মানুষ এখন অনেক সজাগ, অনেক সচেতন। জাতির যে লক্ষ্য নিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, আমরা ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসি তখন আমরা অনেকগুলো কাজ করে বাংলাদেশকে একটা মর্যাদায় নিয়ে আসছিলাম। কিন্তু ২০০১ সালে আমরা সরকারের আসতে পারিনি। কেন পারিনি? বাংলাদেশের সম্পদ বিক্রি করতে যদি আমি রাজি হতাম; আমার ক্ষমতায় থাকার কোনো অসুবিধাই হতো না। কিন্তু দেশের মানুষের সম্পদ বেঁচে দিয়ে, আর দেশের মানুষের মুখ কালো করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মেয়ে ক্ষমতায় যাবে ওই রাজনীতি আমি করি না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যে অবৈধ শক্তি পঁচাত্তরে ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যা করে ক্ষমতায় এসেছিল তাদের কোনো প্রেতাত্মা যেন আবার বাংলাদেশের মানুষের এই স্বাধীনতা নসাৎ করতে না পারে, আবার মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে। তার জন্য আওয়ামী লীগ এবং আমাদের সহযোগী সংগঠন এবং দেশের জনগণ অতন্ত্র প্রহরীর মতো সকলকে সজাগ থেকে দেশের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে হবে।’
পদ্মা সেতু, মেট্রোরেলসহ বিভিন্ন উন্নয়ন চিত্রের প্রসঙ্গ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এগুলো নাকি ওদের (বিরোধীদের) চোখে পড়ে না। জানি না মেট্রোরেলে চড়ে কি না? নিশ্চয়েই চড়ে! তার সুফল নিশ্চয়ই ভোগ করে। কিন্তু তারপরও বলবে, এটা কেন করা হল? আমার মনে আছে টেলিভিশনে একজনে খুব আলোচনা করছে, ৩৫ হাজার কোটি টাকা দিয়ে মেট্রোরেল করে কি হবে? তিন হাজার কোটি টাকা হলেই তো যানজটমুক্ত করা যায়? তিন হাজার কোটি টাকার বাস কিনে রাস্তায় ছেঁড়ে দিলেই নাকি যানজট মুক্ত হবে? এই রাস্তায় আরও বাস দিলে আরও যানজট মুক্ত হবে, না আরও যানজট সৃষ্টি হবে?’
‘যেটাই ভালো করবেন কিছু লোকের কিছুই ভালো লাগে না- তার বিরুদ্ধে একটা কথা বলবেই। পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির কথা বলেছিল। দুর্নীতি করতে তো আমরা এখানে আসি নাই। সেটা প্রমাণিত হয়েছে। আমরা নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণ করে সারাবিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছি, বাংলাদেশ পারে। ৭ মার্চের ভাষণে জাতির পিতা বলেছিলেন, কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না। বাংলাদেশকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারে নাই, ভবিষ্যতেও পারবে না’, বলে দৃঢ়তা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
দেশের উন্নয়নের তথ্য তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার সুফল বাংলার মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া এটাই আমাদের অঙ্গীকার, আমরা এটা করছি। আওয়ামীলীগ যেটা বলে সেটা করে। স্বাধীনতার এই ৫৩ বছরে ২৯ বছর ছিল বাংলাদেশের কালো অধ্যায়। সেইদেশের উন্নয়নের তথ্য তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার সুফল বাংলার মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া এটাই আমাদের অঙ্গীকার, আমরা এটা করছি। আওয়ামীলীগ যেটা বলে সেটা করে। স্বাধীনতার এই ৫৩ বছরে ২৯ বছর ছিল বাংলাদেশের কালো অধ্যায়। সেই কালো যুগ কেটে আমরা বাংলাদেশের মানুষের জন্য নতুন সূর্যের আলো নিয়ে এসেছি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এগিয়ে যাবে, আলোর পথের যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ সেই পথেই চলে যাবে। দেশের মানুষকে বলবো আওয়ামী লীগের প্রতি যে আশা ও বিশ্বাস নিয়ে চলেছে; সেই আশা ও বিশ্বাস নিয়ে যেন এগিয়ে যায়, কারও মিথ্যা কথায় যেন বিভ্রান্ত না হয়। কালো যুগ কেটে আমরা বাংলাদেশের মানুষের জন্য নতুন সূর্যের আলো নিয়ে এসেছি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এগিয়ে যাবে, আলোর পথের যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ সেই পথেই চলে যাবে। দেশের মানুষকে বলবো আওয়ামী লীগের প্রতি যে আশা ও বিশ্বাস নিয়ে চলেছে; সেই আশা ও বিশ্বাস নিয়ে যেন এগিয়ে যায়, কারও মিথ্যা কথায় যেন বিভ্রান্ত না হয়।
খখ/মো মি


