খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্ক: চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে ৯৮ কেজি গাঁজা ও ২৩ ভরি স্বর্ন উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) দিবাগত রাতে পৃথক অভিযানে সীতাকুণ্ড থানার বিশেষ টিম ৯৮ কেজি গাঁজা ও ২৩ ভরি স্বর্ন উদ্ধার করে।
আটককৃতরা হলো, মো. হানিফ শেখ সাদ্দাম (৪২), মোঃ রাসেল ফকির (৩৬), মোঃ মিজান শেখ (৩২), মোঃ সাগর শেখ (২৮)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মাদক ব্যবসায়ীর একটি চক্র পিকাপ গাড়ি নং-ঢাকা মেট্রো ন ২১-০৮১৮ যোগে ফেনী জেলা হতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হয়ে চট্টগ্রাম শহরের দিকে আসছে। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে ‘টিম সীতাকুণ্ড’ অভিযান নামে। অভিযানে দুইটি টিমে বিভক্ত হয়ে দু্ইটি স্থানে অবস্থান নেয়। অপর একটি টিম ভাটিয়ারী বাসস্ট্যান্ডে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করেন । শনিবার দিবাগত রাত দুই টায় পিকআপ গাড়িটি চেকপোষ্টের সামনে পৌঁছলে এসআই মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন গাড়িটি থামার সংকেত দেন। কিন্তু গাড়িতে থাকা ৪ জন আসামী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়িটি নিয়ে দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে চালিয়ে অস্থায়ী চেকপোষ্ট অতিক্রম করে। তখন ওসিসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্য গাড়িটি লক্ষ্য করে ছুটে। গাড়িটি শাহ আমানত ফিলিং স্টেশন এর দক্ষিন দিকের ইউটার্ন দিয়ে ঢাকামূখী রাস্তা হয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ঘটনাস্থল সীতাকুন্ড থানাধীন ভাটিয়ারী শাহ আমানত ফিলিং স্টেশনের বিপরীতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পশ্চিম পাশে “মায়ের দোয়া স্যানিটারী” নামে দোকানের সামনে থাকা পুরাতন স্যানিটারী মালামালের উপর উঠে পড়ে। এসময় হানিফ, রাসেল, মিজান ও সাগরকে আটক করা হয়। আটক আসামীদের সাথে থাকা পিকআপ থেকে ৯৮ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়েছে।
অভিযানে অংশ নেন ওসি কামাল উদ্দিন (পিপিএম), পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) আবু সাঈদ, এসআই মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, থানার অন্যান্য অফিসার ফোর্স।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামাল উদ্দিন পিপিএম বলেন, এই ঘটনায় সীতাকুন্ড থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয় ও আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে সৌপর্দ করা হয়েছে।
২৩ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার
এছাড়াও অপর একটি ঘটনায় সৌদি প্রবাসী বাবুল মিয়া অপর সৌদি প্রবাসী মোঃ সাইমন উদ্দিনকে ১২টি স্বর্নের চুরি ও ১টি স্বর্ণের বারসহ সর্বমোট ২৩ ভরি স্বর্নালংকার দেশে এনে তার ভাই আব্দুল খালেকের নিকট পৌছানোর জন্য দেন। কিন্তু সাইমন উদ্দিন গত ১৯ ফেব্রুয়ারি দেশে আসলেও বর্নিত মালামাল তার ভাইয়ের নিকট বুঝিয়ে দেয়নি। এই সংক্রান্ত প্রবাসী বাবুল মিয়ার ভাই আব্দুল খালেক বিমান বন্দর থানায় এসে একটি সাধারন ডায়রী করেন (ডিএমপির
বিমান বন্দর থানার জিডি নং-১১২১ তাং-২১/০২/২৪ ইং)। এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ সুপার চট্টগ্রামকে মৌখিক নির্দেশে দিলে সীতাকুন্ড থানার একটি টিম অভিযান চালিয়ে তথ্য প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সাইমন উদ্দিনের কাছ থেকে ১২ টি স্বর্নের চুরি ও ১টি স্বর্নের বারসহ সর্বমোট ওজন ২৩ ভরি স্বর্নালংকার উদ্ধার করে। পরে জিডির বাদী আব্দুল খালেকের নিকট বুঝিয়ে দেয়া হয়।
খখ/মো মি


