চট্টগ্রামে গণধর্ষণের শিকার তরুণীর মৃত্যু হলো হাসপাতালে, মূল হোতাসহ গ্রেফতার ২

thai foods

খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্ক: চট্টগ্রামে গণধর্ষণের শিকার তরুণীর মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে। এ ঘটনায় জড়িত মূল হোতাসহ ২ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে হালিশহর থানা পুলিশ।

thai foods

পুলিশ জানায়, হালিশহর থেকে ওই তরুণীকে তুলে নিয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে গণধর্ষণ করান ওবায়দুল করিম (৩৩) ও মো. সেলিম (৪৩)। ক্রমাগত পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ মঙ্গলবার (৫ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে মেয়েটির লাশ উদ্ধার করেছে। এরপর রাতে নগরীর পাঁচলাইশ ও পটিয়ায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ওবায়দুল করিম ও সেলিমকে গ্রেফতার করে।

পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা যাওয়া বিবি রহিমা আক্তার (২০) নগরীর হালিশহর থানার ছোটপুল এলাকার বাসিন্দা।

ঘটনায় জড়িত মূলহোতাসহ গ্রেফতার দুজন হলো,ওবায়দুল হক প্র: ওবায়দুল করিম (৩৩) ও মো. সেলিম (৪৩)। ওবায়দুল করিম চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া থানার বাসিন্দা আর মো. সেলিম চট্টগ্রাম মহানগরীর পাঁচলাইশ থানা এলাকার বাসিন্দা।

হালিশহর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কায়সার হামিদ জানান, সেলিমের সঙ্গে রহিমার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ২৬ জানুয়ারি তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সেলিম পাঁচলাইশের কসমোপলিটন আবাসিক এলাকায় নিজের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন সেলিম। এরপর তাকে নিয়ে ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যান সেলিম। ‘যাত্রাবাড়ির ঘটনাস্থলটি আমরা এখনো শনাক্ত করতে পারিনি। তবে আসামিদের স্বীকারোক্তি ও তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সেখানেই একমাসেরও বেশি সময় আটকে রেখে কয়েকজন তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। ওসি কায়সার হামিদ আরও বলেন, বিবি রহিমা আক্তার কে ধর্ষণে চারজন জড়িত ছিল বলে তথ্য পেয়েছি।

এ ঘটনায় রহিমার ভাই মো. আবদুস সামাদের করা মামলার তথ্য অনুযায়ী, পাশবিক নির্যাতনে গুরুতর আহত রহিমাকে গত সপ্তাহে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা। ২৮ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি হাসপাতাল থেকে রহিমার ভাইকে জানানো হয়। ১ মার্চ অবস্থার অবনতি হলে তার ভাই তাকে চমেক হাসপাতালে এনে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করেন। মঙ্গলবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে হালিশহর থানার অফিসার ইনচার্জ
(ওসি) কায়সার হামিদ বলেন, পাশবিক নির্যাতনে গুরুতর আহত বিবি রহিমা আক্তার চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। খবর পেয়ে আমরা গিয়ে লাশ হেফাজতে নিয়ে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করি। এরপর ওবায়দুল করিম (৩৩) ও মো. সেলিম (৪৩) নামের দুজন আসামিকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করি। তারা আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। মূল অপরাধী সেলিম। তিনি তার সঙ্গীদের নিয়ে গণধর্ষণ ও পাশবিক নির্যাতনের মাধ্যমে রহিমাকে হত্যা করেছেন। আমরা ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।’

খখ/মো মি

আগে“৭ মার্চ বাঙালি জাতির জীবনে এক অবিস্মরণীয় দিন”-প্রধানমন্ত্রী
পরেকোতোয়ালি থানার অভিযান: ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৬ সদস্য গ্রেপ্তার