খাসখবর বিভাগীয় ডেস্ক: হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতারা বলেছেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাগুলোর নামকরণের দায়িত্ব কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীবিশেষ কর্তৃক নিজেদের কাঁধে তুলে নেওয়া সমীচীন নয়। এ বিষয়ে যেকোনও অভিপ্রায় কিংবা গণআকাঙ্ক্ষা প্রস্তাবনা আকারে উপস্থাপন করা যেতে পারে।
শনিবার (১০ আগস্ট) বিকালে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে নৈরাজ্য প্রতিরোধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন হেফাজত মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান। ওই সমাবেশে নেতারা এসব কথা বলেন।
হেফাজতের নেতারা বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় কোনও কোনও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কোথাও কোথাও বিদ্রোহ-বিশৃঙ্খলা ও তাকে কেন্দ্র করে জনমানসে বিক্ষোভ তৈরির চেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ জাতীয় বিক্ষোভ তৈরিতে হেফাজতে ইসলাম বিশ্বাস করে না। চলমান পরিস্থিতিতে দেশব্যাপী শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষাই হেফাজতে ইসলামের প্রধান লক্ষ্য।’
‘সর্বস্তরের জনগণ, নেতাকর্মী ও আলেম সমাজকে সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সহনশীলতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছে।’
নেতারা রাষ্ট্রের যেকোনও প্রয়োজনে আলেম সমাজ কাজ করতে সদা প্রস্তুত এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তাদের পরামর্শ ও মতামত নেওয়ার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।
এ সময় মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন ও মুফতী কিফায়াতুল্লাহ আজহারীর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন— মাওলানা আব্দুল হামীদ (পীর সাহেব মধুপুর), ড. আহমাদ আব্দুল কাদের, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা মুহিউদ্দিন রাব্বানী, মাওলানা আহমাদ আলী কাসেমী, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মুফতী সাখাওয়াত হুসাইন রাজী, মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী, মাওলানা ফজলুল করিম কাসেমী, মুফতি বশির উল্লাহ, মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ, মুফতি জাকির হোসেন কাসেমী, মুফতি কামাল উদ্দিন, মুফতী মাসঊদুল করীম, মুফতী নূর হুসাইন নূরী, মুফতি জাবের কাসেমী, মুফতি রেজাউল করিম আবরার, সহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরের নেতারা।
খখ/মো মি


