চট্টগ্রামের ইপিজেডে স্ত্রী’র সঙ্গে পরকীয়ার সন্দেহে বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

thai foods

খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড এলাকায় এক যুবককে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।

thai foods

পুলিশ জানায়, বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গে পরকিয়ার সন্দেহ থেকে সৃষ্ট শত্রুতার জেরে ওই যুবককে হত্যা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ মার্চ) রাতে নগরীর ইপিজেড থানার আকমল আলী রোডে সিডিএ বালুর মাঠ এলাকায় এ ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনায় জড়িত এক যুবককে গ্রেফতার করেছে।

নিহত মোহাম্মদ আইয়ূব নবী (৩০) চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। নগরীতে আকমল আলী রোডে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

আইয়ূব নবীর বড় ভাই আহম্মদ নবী জানায়, আইয়ূব নবী রেস্তোঁরায় ‘গ্রিল কারিগর’ হিসেবে বাবুর্চির কাজ করতেন। তার দুই স্ত্রী। উভয় সংসারে একটি করে দুটি ছেলে সন্তান আছে।

আইয়ূবের সঙ্গে বিভিন্ন রেস্তোঁরায় বাবুর্চির কাজ করতেন সাইমন নামে এক যুবক। আকমল আলী রোডে তারা পাশাপাশি বাসায় থাকতেন। তারা দুজন ভালো বন্ধু ছিলেন।

আহম্মদ নবী জানায়, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) বিকেল পাঁচটার দিকে আমার ভাই আইয়ূব নবী আমাকে মোবাইলে কল করে জানায়, সাইমন তার স্ত্রীর সঙ্গে আইয়ূবের পরকীয়া আছে বলে সন্দেহ করছে। এজন্য তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছে।’

‘এরপর সন্ধ্যা সাতটার দিকে আমি খবর পাই, আমার ভাইকে আকমল আলী রোডে বালুর মাঠে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমার ভাই বলেছে, সাইমন যেটা বলেছে সেটা সম্পূর্ণ অপবাদ। তারা দুজন আপন ভাইয়ের মতো ছিল। সাইমন কীভাবে আমার ভাইকে হত্যা করতে পারল, আমি বুঝতে পারছি না।’

নগরীর ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আকতারুজ্জামান গণমাধ্যমকপ বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) সন্ধ্যার পর আমরা খবর পাই, আকমল আলী রোডে সিডিএ বালুর মাঠে কে বা কাদের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে আহত এক যুবক পড়ে ছিল। স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আমরা হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ হেফাজতে নিই। কিন্তু তখন তাকে কেউ চিনতে পারেনি।’

‘রাত ১২টার দিকে পরিবারের লোকজন চমেক হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন। তখন আমরা পরিচয় নিশ্চিত হয়। এরপর প্রাথমিকভাবে ঘটনা জেনে আমরা সৃজন নামে এক যুবককে আকমল আলী রোড থেকে গ্রেফতার করেছি।’

প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওসি আকতারুজ্জামান বলেন, ‘নিহত আইয়ূব নবী, গ্রেফতার সৃজন এবং পলাতক সাইমন- তিনজন খুব ভালো বন্ধু ছিলেন। এর মধ্যে সাইমনের স্ত্রীর সঙ্গে আইয়ূবের পরকীয়ার অভিযোগ ওঠে। এতে তাদের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে সাইমন ও সৃজন মিলে তাকে ছুরিকাঘাত করে বলে আমরা জানতে পেরেছি। ঘটনার পর থেকে পলাতক সাইমনকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।’

নিহতের ভাই আহম্মদ নবী জানায়, এ ঘটনায় আইয়ূব নবীর দ্বিতীয় স্ত্রী বাদী হয়ে ইপিজেড থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

খখ/মো মি

আগেআন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
পরে“শাপলা চত্বরেই হাসিনার ফাঁসি দেখতে চাই”-মামুনুল হক