দেশে প্রথম মনোরেল চট্টগ্রামে, চুক্তি সই

ব্যয় হবে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা
thai foods

খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্ক: দেশে প্রথম মনোরেল (উঁচুতে চলা এক চাকার ট্রেন) চালুর উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদেশি দুইটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে। প্রতিষ্ঠান দুইটি হচ্ছে ওরাসকম কনস্ট্রাকশন ও আরব কন্ট্রাক্টরস।

thai foods

রবিবার (১ জুন) নগরের আগ্রাবাদ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার মিলনায়তনে এ চুক্তি সই অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে জানানো হয়েছে, সাড়ে ৫৪ কিলোমিটার দীর্ঘ তিনটি রুটে মনোরেল নির্মাণ করতে খরচ হবে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা।

সিটি করপোরেশন ও চুক্তি সইকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানান, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) প্রকল্পের আওতায় মনোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিনিয়োগ করা হবে এনএএস ইনভেস্টমেন্ট ও ন্যাশনাল ব্যাংক অব ইজিপ্টের মাধ্যমে। প্রকল্পের আওতায় সম্ভাব্য তিনটি রুট বিবেচনা করা হচ্ছে। এগুলো কালুরঘাট থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ২৬ দশমিক ৫ কিলোমিটার (বহদ্দারহাট, চকবাজার, লালখান বাজার, দেওয়ানহাট ও পতেঙ্গা)। সিটিগেট থেকে শহীদ বশিরুজ্জামান চত্বর পর্যন্ত ১৩ দশমিক ৫ কিলোমিটার (একেখান, নিমতলী, সদরঘাট ও ফিরিঙ্গি বাজার)। অক্সিজেন থেকে ফিরিঙ্গি বাজার পর্যন্ত ১৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার (মুরাদপুর, পাঁচলাইশ, আন্দরকিল্লা ও কোতোয়ালী)।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘প্রস্তাবিত মনোরেল প্রকল্পটির দৈর্ঘ্য হবে সাড়ে ৫৪ কিলোমিটার এবং এতে বিনিয়োগ হবে প্রায় ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা। অর্থায়ন করবে বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ওরাসকম কনস্ট্রাকশন ও আরব কন্ট্রাক্টরস। এ বিনিয়োগের জন্য সিটি করপোরেশনের আর্থিক দায় থাকবে না। কেবল প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্ট ও ভূমি বরাদ্দ দেবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ মনোরেল শুধু যানজট নিরসনে নয়, বরং চট্টগ্রামকে একটি পরিবেশ, পর্যটন ও ব্যবসাবান্ধব নগরীতে রূপান্তর করার দিকে এগিয়ে নেবে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে সংযোগের একটি আধুনিক সেতুবন্ধন তৈরি করবে।’

আরব কন্ট্রাক্টরস ও ওরাসকম পেনিনসুলা কনসোর্টিয়ামের প্রধান প্রতিনিধি কাউসার আলম চৌধুরী বলেন, ‘মনোরেল নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে এমওইউ হয়েছে। এখন তারা সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করবেন। এই কাজ করতে অন্তত ৯ মাস থেকে ১ বছর লাগবে। এরপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী। এখানে যানজট ও পরিবহন সংকট ক্রমবর্ধমান। মনোরেল একটি আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব সমাধান। আমরা এই প্রকল্পে পূর্ণাঙ্গ বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রেটার চিটাগাং ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরোয়ার কামাল, গ্রেটার চিটাগাং ইকোনমিক ফোরামের সদস্যসচিব নাজির শাহীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

খখ/মো মি

আগেএবার ৫০০, ২০০, ১০০, ১০, ২ ও ৫ টাকার নোটের ছবি প্রকাশ করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক
পরেদৈনিক নিউজ চাটগাঁ পত্রিকার সম্পাদক এর মাতৃবিয়োগ