চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় ডা. ইকবালের ওপর হামলা, পুলিশ বলছে ভবনের সীমানা বিরোধ নিয়ে হাতাহাতি 

Oplus_0
thai foods

খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়ায় ডা. ইকবাল নামে এক চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানায়, ভবনের সীমানার বিরোধের জেরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

thai foods

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বিকেলে নগরীর বাকলিয়া থানাধীন রাহাত্তরপুল পুরাতন চারতলা নুর বেগম মসজিদের পাশে এ ঘটনা ঘটে। আহত ডা. ইকবাল চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত।

ঘটনার পর ফেসবুকে লাইভে এসে ডা. ইকবাল অভিযোগ করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা হারুনসহ কয়েকজন তার কাছে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় তাকে মারধর করা হয়েছে।

তিনি দাবি করেন, হামলাকারীরা তাকে খুঁজছে মেরে ফেলার জন্য। পুলিশকে জানানোর পরও তারা ঘটনাস্থলে আসেনি।

রাত পৌনে নয়টার দিকে আহত ডা.ইকবাল গণমাধ্যমকে বলেন, আমাকে মারধর করে আহত করা হয়েছে। আমি এখন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছি।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নগরীর বাকলিয়া থানার কেবি আমান আলী রোডস্থ পুরাতন চারতলা এলাকায় এয়ার মোহাম্মদ স্কুল লেনের মুখে একটি ভবন নির্মাণ করছিলেন ডা. ইকবাল। এটি নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। ডা. ইকবালের প্রতিপক্ষের অভিযোগ, তিনি চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নকশা না মেনে ভবন নির্মাণ করছিলেন। এ নিয়ে সিডিএ ও দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একাধিকবার অভিযোগও করা হয়। মঙ্গলবার সিডিএ ইমারত কমিটি-১ এর প্রকৌশলী কাজী কাদের নেওয়াজ ভবনটি পরিদর্শনে আসেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ফরিদুল ইসলাম  বলেন, ডা. ইকবাল সিডিএ থেকে ৭তলার অনুমতি নিয়ে ৮তলা ভবন নির্মাণ করছেন। পাশাপাশি তিনি রাস্তার জন্য নির্ধারিত অংশ ছেড়ে দেননি। এ কারণে পাশের সবাই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছেন। মহল্লা কমিটি বিচারও করেছে। কিন্তু তিনি কারো কথা শোনেননি। তার চাঁদা দাবির বিষয়টিও মিথ্যা। আমার ছেলেও একজন ডাক্তার। তাছাড়া হারুনের চাঁদা দাবির বিষয়টি হাস্যকর। তিনি কমপক্ষে হাজার কোটি টাকার মালিক। প্রতিবেশীর মধ্যে ঝামেলা হওয়ায় মীমাংসার জন্য তিনি এসেছিলেন।

এবিষয়ে বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে বাকলিয়া থানার টহল দল ঘটনাস্থলে যায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে ডা. ইকবাল অনুমোদিত নকশার বাইরে ভবন নির্মাণের কাজ করছেন বলে স্থানীয়রা সিডিএতে অভিযোগ করেছিলেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে সিডিএ কর্তৃপক্ষ চিঠি দিয়ে অনুমোদিত নকশাবহির্ভূত অংশ অপসারণ ছাড়া সব ধরনের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেয়। ঘটনার দিন সিডিএর লোক ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এসময় ডা. ইকবাল ও প্রতিপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং মারামারি হয়। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

খখ/মো মি

আগেচট্টগ্রামের সল্টগোলায় আ. লীগ- ছাত্রলীগের মিছিল, গ্রেফতার অভিযানে  বন্দর থানার সেকেন্ড অফিসার রানাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম 
পরে“আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না”-জি এম কাদের