খাসখবর মহামারী ডেস্ক➤ কমছেই না দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। গত ১ দিনে সর্বোচ্চ ১৬২৩০ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে আরও ২৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২০ হাজার ১৬ জনে। এর আগে গতকাল ২৭ জুলাই দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছিলো।
বুধবার (২৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১২ লাখ ১০ হাজার ৯৮২ জন।
এতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৩ হাজার ৪৭০ জন।
এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৮৮৪ জন।
সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৩৯ টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩০ টি, জিন এক্সপার্ট ৫২টি, র্যাপিড অ্যান্টিজেন ৪৫৭ টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ৫৬ হাজার ১৫৭ টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৩ হাজার ৮৭৭টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭৬ লাখ ১২ হাজার ৫৮৮টি।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬ হাজার ১৫৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তবে দেশের ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৩ হাজার ৮৭৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যেখানে শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ১২ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৫ দশমিক ৯১ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ১৩ হাজার ৪৭০ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৮৮৪ জন।
বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ২৩৭ জনের মধ্যে ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১৫ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৪৫ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৭৮ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪৪ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১১ জন ও ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৯ জন রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন চার হাজার ৯১৩ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন চার হাজার ২০৭ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন দুই লাখ ৮১ হাজার ২০ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন দুই লাখ এক হাজার ২০ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৭৯ হাজার ৯৮২ জন।
২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১৪৯ জন ও মহিলা ৮৮ জন। যাদের মধ্যে বাসায় ১৩ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৭০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬২ জন, রাজশাহী বিভাগে ২১ জন, খুলনা বিভাগে ৩৪ জন, বরিশাল বিভাগে ৯ জন, সিলেট বিভাগে ১৮ জন, রংপুর বিভাগে ১৬ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৯ জন মারা গেছেন।
গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।
খখ/মো মি


