চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদ-ষোলশহরে নিষিদ্ধ যুবলীগ-ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল

thai foods

খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহানগরের আগ্রাবাদ ও ষোলশহর এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা পৃথক বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।

thai foods

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে অনুষ্ঠিত এসব মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী এবং ভিডিও ফুটেজ থেকে জানা যায়, আগ্রাবাদ এলাকায় মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, চট্টগ্রাম মহানগর’-এর ব্যানারে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বারিক বিল্ডিং মোড় থেকে শুরু হয়ে শেখ মুজিব সড়ক হয়ে আগ্রাবাদ মোড়ের দিকে যায়।

মিছিলকারীদের হাতে থাকা ব্যানারে হামলায় শিশুমৃত্যু, শিশু ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবি এবং বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কর্মসূচির কথা উল্লেখ ছিল। পরে মিছিলটি বিদ্যুৎ ভবনের সামনে পৌঁছালে অংশগ্রহণকারীরা সড়ক বিভাজকের ওপর উঠে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মিছিলটি চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও যুবলীগ নেতা গোলাম সামদানি জনির অনুসারীরা আয়োজন করেন। একই দিনে তার অনুসারীরা নগরের আউটার রিং রোড এলাকাতেও আরেকটি মিছিল করেছেন বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, ষোলশহর এলাকায় মুরাদপুরমুখী সড়কে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রতিবাদ এবং বিভিন্ন রাজবন্দীর মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন ৮ নম্বর শুলকবহর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মো. আবুল বাশারের অনুসারীরা।

এই নিয়ে চলতি মাসে চট্টগ্রাম মহানগরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অন্তত পাঁচটি ঝটিকা মিছিল বলে জানা গেছে।

বুধবার (৩ জুন) নগরের অনন্যা আবাসিক এলাকায় মিছিল করেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এর আগে সোমবার (১ জুন) জিইসি মোড় এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এমইএস কলেজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

ওই মিছিলের পর মহানগরের বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৬৮ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।

শুক্রবারের মিছিলগুলোর বিষয়ে জানতে চাইলে সিএমপির সহকারী কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ গণমাধমকে জানান, আগ্রাবাদ এলাকায় একটি মিছিল হওয়ার তথ্য তাদের কাছে রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, ১ ও ৩ জুুনের মিছিলের পর মহানগরের বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৬৮ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। পরদিন গ্রেপ্তারকৃত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের আদালতে নেয়া হলে তারা সেখানেও ‘জয় বাংলা, ‘জয় বংগবন্ধু’ সহ নানা শ্লোগানে মুখরিত করে তোলে আদালত প্রাংগণ।

খখ/মো মি

আগেবিশ্বকাপকে ঘিরে মেক্সিকোতে কার্টেলদের রমরমা যৌন বাণিজ্য
পরে“সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না সরকার”-তথ্য প্রতিমন্ত্রী