জাবেদ পেশায় বাসচালক- করেন চুরি মোটরবাইক, আলীম পেশায় মোবাইল সার্ভিসিং-চুরি করেন মোবাইল!

পতেংগা থানা পুলিশের সফল অভিযান
thai foods

খাসখবর প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম মহানগর➤ চট্টগ্রাম মহানগরীতে মোটরসাইকেল ও মোবাইলের দোকানে চুরির তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে দু’জন পেশাদার চোরকে গ্রেফতার করেছে পতেঙ্গা থানা পুলিশ।

thai foods

থানা পুলিশ জানায়, এদের মধ্যে মো. জাবেদ (২৭) সিটি সার্ভিসের বাসের চালক, অপরজন মো. আলীম (২১) মোবাইল সার্ভিসিংয়ের পেশায় আছেন। এর আড়ালে দু’জনই পেশাদার চুরিতে জড়িত।

পতেঙ্গা থানা পুলিশ জানায়, রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে পতেঙ্গা থানা পুলিশ পৃথকভাবে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে আলীমকে ও নগরীর পতেঙ্গা থানার পূর্ব কাটগড় কন্ট্রোল মোড় থেকে জাবেদকে গ্রেফতার করেছে। জাবেদ সিটি সার্ভিস বাসের চালক, বাড়তি আয়ের লোভে মোটরসাইকেল চুরিতে জড়িয়ে পড়েন বছরখানেক আগে।

কক্সবাজার এলাকায় ইসমাইলের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা মোটরসাইকেল চোর চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য জাবেদ। তারা চট্টগ্রাম নগর থেকে মোটরসাইকেলের লক ভেঙে চুরি করে সেটি নিয়ে যায় কক্সবাজারে।

সেখানে মোটরসাইকেলের রং, ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর পরিবর্তন করে। এরপর তাদের এজেন্টের মাধ্যমে অনলাইনে বিক্রয় ডটকমে বিজ্ঞাপন দিয়ে ২০-২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে।

আলীমের নগরীর বন্দর থানার কলসি দিঘীর পাড় এলাকায় মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান আছে। ব্যবসায় লোকসানের কারণে তার দোকানভাড়া বকেয়া পড়ে গেলে মালিক দোকান ছাড়ার জন্য চাপ দেন।

তখন আলীমের সঙ্গে ফিরোজের পরিচয় হয়। ফিরোজ নগরীর স্টেশন রোডে চুরি-ছিনতাইয়ের মোবাইল বিক্রির সঙ্গে জড়িত। ব্যবসায় ক্ষতি পোষাতে ফিরোজের সঙ্গে মিলে আলীমও গত ৫-৬ মাস ধরে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মোবাইলের দোকানে চুরিতে জড়িয়ে পড়ে। গত ২৭ আগস্ট পতেঙ্গার চরপাড়া এলাকায় একটি ভবনের কলাপসিবল গেইট ভেঙে মোটরসাইকেল চুরির সূত্র ধরে জাবেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জাবেদের তথ্যের ভিত্তিতে মোটরসাইকেলটিও উদ্ধার করা হয়েছে।

জাবেদের চোর হয়ে ওঠার ব্যাপারে রয়েছে চমকপ্রদ তথ্য। এপ্রসঙ্গে পতেঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবির হোসেন খাসখবর নিউজ’র এপ্রতিবেদককে জানান, জাবেদ সিটি সার্ভিসের বাসের চালক। বাড়তি আয়ের লোভে মোটরসাইকেল চুরিতে জড়িয়ে পড়ে বছরখানেক আগে। কক্সবাজার এলাকার ইসমাইলের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা মোটরসাইকেল চোর চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য জাবেদ। তারা চট্টগ্রাম নগরী থেকে মোটরসাইকেলের লক ভেঙে চুরি করে সেটি নিয়ে যায় কক্সবাজারে। সেখানে গিয়ে মোটরসাইকেলের রঙ, ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর পরিবর্তন করে। এরপর তাদের এজেন্টের মাধ্যমে অনলাইনে বিক্রয় ডটকমে বিজ্ঞাপন দিয়ে ২০-২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে।

উল্লেখ্য, গত ২৭ আগস্ট পতেঙ্গার চরপাড়া এলাকায় একটি ভবনের কলাপসিবল গেইট ভেঙে মোটরসাইকেল চুরির সূত্র ধরে জাবেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জাবেদের তথ্যের ভিত্তিতে মোটরসাইকেলটিও উদ্ধার করা হয়েছে। ইসমাইল ও জাবেদ উভয়ের বিরুদ্ধে পতেঙ্গা থানায় মামলা আছে বলে জানান ওসি কবির হোসেন।

আলীমের প্রসঙ্গে ওসি কবির হোসেন জানান, আলীমের চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর থানার কলসি দিঘীর পাড় এলাকায় মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান আছে। ব্যবসায় লোকসানের কারণে তার দোকানভাড়া বকেয়া পড়ে গেলে মালিক দোকান ছাড়ার জন্য চাপ দেয়। তখন আলীমের সঙ্গে ফিরোজের পরিচয় হয়। ফিরোজ নগরীর স্টেশন রোডে চুরি-ছিনতাইয়ের মোবাইল বিক্রির সঙ্গে জড়িত। ব্যবসায় ক্ষতি পোষাতে ফিরোজের সঙ্গে মিলে আলীমও গত ৫-৬ মাস ধরে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মোবাইলের দোকানে চুরিতে জড়িয়ে পড়ে।

গত ৩১ আগস্ট নগরীর পতেঙ্গা থানার মকবুল আবাসিক এলাকায় টিনের চালা কেটে জনৈক জাকারিয়ার মোবাইলের দোকানে চুরি করা হয়। ওসি জানান, ফিরোজ ও আলীম দোকানে ঢুকে ক্যাশবাক্স থেকে প্রথমে নগদ টাকা নেয়। এরপর হঠাৎ তাদের চোখে পড়ে সিসি ক্যামেরা। আলীম উঠে সিসি ক্যামেরার মুখ ঘুরিয়ে দেয়। কিন্তু ততক্ষণে তার চেহারা শনাক্ত হয়। এরপর ৩৭টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দামি মোবাইল সেট নিয়ে চলে যায়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে আলীমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ফিরোজকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন ওসি কবির হোসেন।

খখ/মো মি

আগে‘আমাকে আর ইভা রহমান ডাকবেন না, এখন থেকে বলবেন ইভা আরমান’
পরেভারত টিকা রপ্তানি শুরু করবে অক্টোবরে