‘সিএনজিচালিত বাসে স্টিকার লাগিয়ে দেব’-বিআরটিএ চেয়ারম্যান

thai foods

খাসখবর জাতীয় ডেস্ক➤ভাড়া বাড়ানোর একদিন পর বৈঠক করে সিএনজিচালিত বাসগুলো আলাদা করে চিহ্নিত করার সিদ্ধান্ত বিআরটিএ নিলেও কত সংখ্যক বাস গ্যাসে চলছে, তা বের করতে পারেনি।

thai foods

ডিজেলের দাম বাড়ানোর পর পরিবহন মালিকদের দাবির মুখে গত রোববার বাসের ভাড়া ২৭ শতাংশ বাড়ায় বিআরটিএ।

এক্ষেত্রে শুধু ডিজেলচালিত বাসের জন্য নতুন ভাড়া কার্যকর হবে বলে জানান বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার।

তবে ডিজেলচালিতের পাশাপাশি সিএনজিচালিত বাসও বাড়তি ভাড়া নিচ্ছে বলে অভিযোগের প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার বিআরটিএ কার্যালয়ে বাস মালিক-শ্রমিক নেতা এবং পুলিশ ও ঢাকা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বৈঠকে দুই জ্বালানিতে চালিত বাসগুলো আলাদাভাবে চিহ্নিত করার সিদ্ধান্ত আসে।

নতুন যে ভাড়ার হার ঠিক হয়েছে, তার বেশি আদায়ের অভিযোগ আসায় বাড়তি ভাড়া আদায় বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্তও হয়েছে।

বৈঠকের পর বিআরটিএর চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ গণমাধ্যমকে বলেন, সিএনজিচালিত বাসগুলো অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে, এমন অভিযোগ পেয়েছেন তারা। বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত থেকেও এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।

“আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সিএনজিচালিত বাসে স্টিকার লাগিয়ে দেব। বিষয়টি নিয়ে আমরা মালিক সমিতিকে চিঠি দিয়ে দিয়েছি। পাশাপাশি আমরাও বিষয়টি মনিটর করব। আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট, ঢাকার ডিসি অফিসের সব ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবে আগামী পরশুদিন (বৃহস্পতিবার) থেকে। আমাদের চেষ্টা থাকবে কেউ যেন এক টাকাও অতিরিক্ত ভাড়া নিতে না পারে।”

সভায় উপস্থিত একজন কর্মকর্তা বলেন, ভাড়া যেহেতু বেড়েছে কোথায় বেশি নিচ্ছে এবং কীভাবে এটা আদায় করা হচ্ছে, এর সঠিক তথ্য জানার পরে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেবে।

তিনি জানান, বুধবার পরিবহন মালিক ও শ্রমিকেরা একটি যৌথসভা আহ্বান করেছে। ওই সভায় তারাই ঠিক করবে বাড়তি ভাড়া আদায় বন্ধে তারা কী করবে।

সভায় উপস্থিত থাকা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ট্রাফিক) গুলশান বিভাগের উপকমিশনার রবিউল ইসলাম বলেন, “সরকার কর্তৃক পুনর্নির্ধারিত বাস ভাড়া আদায় নিশ্চিত করা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে একটি ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।”

সিএনজিচালিত বাস কত?

সিএনজিচালিত বাসের সংখ্যা কত- এ প্রশ্নে নূর মোহাম্মদ বলেন, এ সংক্রান্ত সঠিক তথ্য এখনও জানা যায়নি। তা জানার চেষ্টা করছে বিআরটিএ।

“অনেক বাস সিএনজি থেকে ডিজেলে কনভার্ট করে ফেলা হয়েছে। আমরা সিএনজিচালিত বাসের তথ্য সংগ্রহ করছি। এগুলো যাচাই-বাছাই শেষে সঠিক সংখ্যাটা বলা যাবে। হয়ত দুয়েকদিনের মধ্যে সঠিক সংখ্যাটা বের করা যাবে।”

পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেড় দশক আগে দেশে সিএনজিচালিত বাস আমদানি এবং পুরনো বাসগুলোকে রূপান্তরের হিড়িক পড়ে। তখন বেশিরভাগ বাস আমদানি করা হয় চীন থেকে। পাশাপাশি ভারতীয় টাটা, অশোক লেলেন্ড, আইসার ও স্বরাজ মাজদা কোম্পানির তৈরি সিএনজিচালিত বাস আসতে থাকে। তবে সিএনজিচালিত বাসের ইঞ্জিন দ্রুত অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ায় এসব বাস খুব লাভজনক হয়নি। পরে মালিকেরা বাস বিক্রি করে বা বাধ্য হয়ে ডিজেলে রূপান্তর করে ফেলেন। চীনা বাসগুলো এখন আর সড়কেই নেই।

খখ/মো মি

আগেইন্টারনেট ডেটা শেষ হলেও চলবে ফেইসবুক, মেসেঞ্জার, ডিসকভার
পরেসাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার ১১ বছরের কারাদণ্ড