খাসখবর বৃহত্তর চট্টগ্রাম ডেস্ক➤ঢাকা থেকে কক্সবাজার বেড়াতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক গৃহবধূ।নির্যাতিত গৃহবধূ জানান, স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে হত্যার ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে তিন যুবক।
এঘটনায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে ৬ জনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় একটি মামলা করেন গৃহবধূর স্বামী।
এঘটনায় রিয়াজ উদ্দিন ছোটন (৩৩) নামে এক যুবককে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র্যাব)।
আটক ছোটন জিয়া গেস্ট ইন নামের যে হোটেলটিতে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে সেই হোটলের ম্যানেজার। র্যাব ছোটনকে অপরাধীদের সহযোগী বলে দাবি করেছে।
পরে এঘটনায় খবর পেয়ে র্যাব পেয়ে গৃহবধূকে উদ্ধার করে। কক্সবাজার হোটেল-মোটেল জোনের জিয়া গেস্ট ইন নামের হোটেল থেকে বুধবার(২২ ডিসেম্বর) রাত দেড়টার দিকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর সিপিসি কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান জানান “খবর পেয়ে স্বামী-সন্তান ও গৃহবধূকে উদ্ধার করা হয়। এখন পর্যন্ত তিনজনের মধ্যে দু’জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের ধরতে অভিযান চলছে।
ভুক্তভোগীর স্বামী গণমাধ্যমকে জানান , “সামান্য ধাক্কাধাক্কির কারণে তারা আমার এত বড় ক্ষতি করল। ” ‘বারবার হাতে-পায়ে ধরলেও তারা আমার স্ত্রীকে ফেরত দেয়নি। বেড়াতে এসেছিলাম বেতন পাওয়ার খুশিতে। এখন স্ত্রীর অবস্থা ভালো না। তাকে নিয়ে চিন্তায় আছি,” যোগ করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, বুধবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে স্বামী-সন্তানসহ কক্সবাজার বেড়াতে আসেন এক নারী পর্যটক। তারা উঠেন শহরের হলিডে মোড়ের একটি হোটেলে।
সেখান থেকে বিকেলে যান সৈকতের লাবনী পয়েন্টে। সেখানে অপরিচিত এক যুবকের সঙ্গে তার স্বামীর ধাক্কা লাগলে, এ ঘটনায় তাদের কথা কাটাকাটি হয়।
এর জেরে সন্ধ্যার পর পর্যটন গলফ মাঠের সামনে থেকে তার ৮ মাসের সন্তান ও স্বামীকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে কয়েকজন তুলে নিয়ে যায়। এ সময় আরেকটি অটোরিকশায় ওই গৃহবধূকে তুলে নেন তিন যুবক। তারা তাকে পর্যটন গলফ মাঠের পেছনে একটি ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর কলাতলীর জিয়া গেস্ট ইন নামের একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে আরেক দফা ধর্ষণ করা হয়। ঘটনা কাউকে জানালে সন্তান ও স্বামীকে হত্যা করা হবে জানিয়ে রুমের বাইরে থেকে লক করে তারা চলে যান। পরে তারা ৯৯৯ ফোন করলে র্যাব তাকে হোটেল থেকে এবং পরে তার স্বামী ও সন্তানকে পর্যটন গলফ মাঠ এলাকা থেকে উদ্ধার করে।
কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম সরকার গণমাধ্যমকে জানান, “ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, তাদের কঠোর শাস্তি পেতে হবে। বিষয়টি নিয়ে অধিকতর তদন্ত চলছে।
খখ/মো মি


