খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্কঃ আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হবে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের ডিএনএ পরীক্ষা। তারপর স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা এবং প্রাথমিকভাবে আহতদের ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের অনেকে হাসপাতালে মরদেহ শনাক্তের পর নিয়ে যেতে চাইছেন। তবে নিহতদের সবার ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ টেস্ট করা হবে। অনেক লাশ শনাক্ত করা যাচ্ছে না। আগামীকাল সোমবার থেকে নিহতদের ডিএনএ পরীক্ষা শুরু হবে। তারপর নিয়ম অনুসরণ করে পরিবার ও স্বজনদের লাশ হস্তান্তর করা হবে।
এদিকে আগুন এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নেভাতে সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা একযোগে কাজ করছেন। ঘটনাস্থলে যৌথভাবে কাজ করছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসন, র্যাব, সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, রেড ক্রিসেন্ট, সিপিপি ও স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের কর্মীরা।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের সহকারী পরিচালক রাজীব পালিত জানান, হতাহতদের মধ্যে ডিপোর শ্রমিকদের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও রয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।’
শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সীতাকুণ্ডের চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। আগুন লাগার পর রাসায়নিকের কন্টেইনারে একের পর এক বিকট বিস্ফোরণ ঘটতে থাকলে বহু দূর পর্যন্ত কেঁপে ওঠে। আগুন নেভাতে সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা একযোগে কাজ করছেন। এখনো বিভিন্ন কনটেইনারে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যাচ্ছে।
ঘটনাস্থলে যৌথভাবে কাজ করছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসন, র্যাব, সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, রেড ক্রিসেন্ট, সিপিপি ও স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের কর্মীরা। অগ্নিকাণ্ড ও ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ জন হয়েছে। দগ্ধ ও আহত দুই শতাধিক ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খখ/মো মি


