১ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে জাতীয় কবিতা উৎসব

thai foods

খাসখবর সাহিত্য সংস্কৃতি ডেস্কঃ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে আগামী ১ ও ২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৩৫তম জাতীয় কবিতা উৎসব। ভারত, নেপাল ও ভূটানের ১২ জন কবি অংশ নেবেন উৎসবে।

thai foods

আজ সোমবার (৩০ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) মুহাম্মদ সামাদ।

তিনি বলেন, স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে শৃঙ্খল মুক্তির ডাক দিয়ে কবিতা উৎসবের শুরু ১৯৮৭ সালে, কালের পরিক্রমায় এই উৎসব সাড়ে তিন দশক অতিক্রম করেছে। এই সময়ে শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা বিশ্বে বিশেষ মর্যাদা অর্জন করেছে। সূচনালগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত প্রতিটি উৎসবে কবিতানুরাগী ও শ্রোতার অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে এই উৎসব যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তার নজীর পৃথিবীতে বিরল।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জাতীয় কবিতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তারিক সুজাত। তিনি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারসংলগ্ন চত্বরে (হাকিম চত্বর) এবারের জাতীয় কবিতা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় শুরু হবে উদ্বোধনী আয়োজন।

জাতীয় কবিতা পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান সুলতানের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন ৩৫তম জাতীয় কবিতা উৎসবের আহ্বায়ক শিহাব সরকার। এবছরে উৎসবের প্রতিপাদ্য ‘বাংলার স্বাধীনতা আমার কবিতা’।

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি কবি মুহাম্মদ সামাদ জানান, ইতিমধ্যে সারাদেশ থেকে কবিতা পাঠের জন্য ৩০০ কবি নাম নিবন্ধন করেছেন করেছেন। এছাড়া আমন্ত্রিত কবির অংশ নেবেন।

তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর বহু দেশে আমি কবিতা উৎসবে যোগ দিয়েছি। এত মানুষের সম্মিলন আর কোথাও দেখিনি। সে হিসেবে জাতীয় কবিতা উৎসব পৃথিবীজুড়ে কবি ও কবিতা প্রেমীদের সবচেয়ে বড় মিলন মেলা বলা যায়।’

লিখিত বক্তব্যে জাতীয় কবিতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তারিক সুজাত বলেন, জাতীয় কবিতা উৎসব ২০২৩-এর উদ্বোধন করবেন দেশের অন্যতম প্রধান কবি আসাদ চৌধুরী। ২০২০ সালে ৩৪তম জাতীয় কবিতা উৎসবে ঘোষিত জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার ২০২১ কবি মুহাম্মদ নূরুল হুদা’র হাতে তুলে দেওয়া হবে উৎসবের দ্বিতীয় দিন, ২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৫ টায়। সেদিন সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার ২০২৩-এর নাম ঘোষণা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের কবিরা চিরকালই প্রগতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিগত ৩৪টি আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও ভাষার সংগ্রামী কবিরা এই উৎসবে আমাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নির্যাতিত মানুষের মুক্তির কথা বলেছেন। এই উৎসবকে আমরা কবিতার মিলনমেলায় পরিণত করতে পেরেছি।

দুই দিনব্যাপী উৎসবে কবিতাপাঠ, নিবেদিত কবিতা, সেমিনার, আবৃত্তি ও সংগীতের মধ্য দিয়ে আয়োজন জমে ওঠবে। এ বছরের উৎসব শ্লোগান ও উৎসব সংগীত রচনা করেছেন জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি কবি মুহাম্মদ সামাদ। ঘোষণাপত্র লিখেছেন কবি কাজল বন্দ্যোপাধ্যায়।

খখ/মো মি

আগে“রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের সমাবেশ ছিল বিএনপির চেয়ে ১২ থেকে ১৪ গুণ বড়”- ড. হাছান মাহমুদ
পরে“পথ হারিয়ে পদযাত্রা শুরু করেছে বিএনপি”- ওবায়দুল কাদের