খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্ক: চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সন্ত্রাসী ধামা ইলিয়াছসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় তৈরি দুটি আগ্নেয়াস্ত্র (এলজি), তিন রাউন্ড কার্তুজ, একটি চাপাতি, কিরিচ, ছোড়া, শাবল ও লোহা কাটার যন্ত্র উদ্ধার করা হয়।
গত ২৩ মে (মঙ্গলবার) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কদলপর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ঈশান ভট্টেরহাট-খামার বাড়ি সংযোগ সড়ক থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, নির্ভর যোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তালিকাভুক্ত অস্ত্রধারী, সন্ত্রাসী ইলিয়াছ ওরফে ধামা ইলিয়াছসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ‘টিম রাউজান’। এসময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত তিনজন হলেন, কদলপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর শমসের পাড়ার মৃত নুরুল আমীনের ছেলে মো. ইলিয়াছ ওরফে ধামা ইলিয়াছ (৪৬), একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আমীর পাড়ার আবদুস ছালামের ছেলে আনোয়ার হোসেন বাচলু ওরফে বাচুল্ল্যা (৩৭) ও রাউজান সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নাতোয়ান বাগিছা এলাকার দিদারুল আলমের ছেলে কামরুল হাসান সাকিল (২১)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদে জানতে পারে একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এ সংবাদের ভিত্তিতে ‘টিম রাউজান’ ওই সময় রাউজান থানাধীন কদলপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড ফোসতির হাটস্থ ছড়ার পাড় নতুন বাড়ী শশ্মান খোলার দক্ষিণ পার্শ্বে ঈশান ভট্টেরহাট-খামার বাড়ীর সংযোগ সড়কে অভিযান চালিয়ে মোঃ ইলিয়াছ প্রকাশ ধামা ইলিয়াছ (৪৬), আনোয়ার হোসেন প্র.বাচুইল্যা প্র.বাচলু (৩৭), কামরুল হাসান সাকিল (২১)কে গ্রেফতার করেন। অভিযান চলাকালে ডাকাত দলের ৮-৯ জন সদস্য কৌশলে পালিয়ে যায়। এসময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় তৈরি দুটি আগ্নেয়াস্ত্র (এলজি), তিন রাউন্ড কার্তুজ, একটি চাপাতি, কিরিচ, ছোড়া, শাবল ও লোহা কাটার যন্ত্র উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, ইলিয়াছ ও বাচলু তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। ইলিয়াছের বিরুদ্ধে রাউজান থানাসহ বিভিন্ন থানায় ৭টি মামলা রয়েছে। ইলিয়াছ ৬টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। অপরদিকে বাচলুর বিরুদ্ধে রাউজান থানাসহ বিভিন্ন থানায় ৬টি মামলা রয়েছে। এছাড়া কামরুল হাসান সাকিল মাদকসহ দুটি মামলার আসামি। গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের পর চট্টগ্রাম আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
খখ/মো মি


