খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্ক➤ নগরীতে ১২টি কোরবানির পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে চসিক। এই জন্য চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে অনুমতি চেয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে এবার স্থায়ী-অস্থায়ী মিলে ১২টি পশুর হাট বসাতে চায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।
এর মধ্যে তিনটি স্থায়ী পশুর হাট বিবিরহাট, সাগরিকা গরুবাজার এবং পোস্তারপাড় ছাগলের হাট রয়েছে। এই তিন বাজারে সারাবছর পশু বেচাকেনা হয়।
বাকি ৯টি অস্থায়ী হাট বসানোর অনুমতি চেয়ে চসিকের রাজস্ব বিভাগের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে। ১২ জুলাই হতে ২১ জুলাই ১০ দিনের জন্য এসব অস্থায়ী হাট বসাতে চায় চসিক।
গত ৩১ মে চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে অস্থায়ী হাট বসানোর অনুমতি চেয়ে চিঠি দেন।
প্রস্তাবিত হাটসমূহ হলো কর্ণফুলী গরুবাজার (নুরনগর হাউজিং সোসাইটি), সল্টগোলা রেলক্রসিং সংলগ্ন মাঠ, স্টিলমিল বাজার, পতেঙ্গা সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ (কাঠগড়), ৪১ নং ওয়ার্ডস্থ বাটারফ্লাই পার্কের দক্ষিণে টি কে গ্রুপের খালি মাঠ, আমানবাজার ওয়াসা মাঠ, মাদারবাড়ি রেলক্রসিং সংলগ্ন বালুর মাঠ, কালুরঘাট ব্রিজের উত্তর পাশের মাঠের খালি জায়গায় অস্থায়ী হাট বসাতে চায় চসিক।
চসিক সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিটি হাট ব্যবস্থাপনায় জোর দেওয়া হবে। তাই গতবারের তুলনায় বেশি হাট বসানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। কারণ হাট বেশি হলে মানুষ তার কাছের হাট থেকে কোরবানির পশু কেনার সুযোগ পাবে।
করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে গত বছর দুইটি হাট বাদ দেওয়া হয়। বসানো হয় ৫টি অস্থায়ী হাট। হাটগুলো হলো কর্ণফুলী (নুরনগর হাউজিং) পশুরহাট, কমল মহাজন হাট গরুবাজার, সল্টগোলা গরুর বাজার, পতেঙ্গা বাটারফ্লাই পার্কের দক্ষিণে টিকে গ্রুপের খালি মাঠ ও স্টিলমিল বাজার গরুর হাট।
খখ/মো মি


