“দুর্গাপূজার ছুটি ২ দিন করার চেষ্টা করব”-স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

thai foods

খাসখবর ধর্ম ডেস্ক: হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি দুইদিন করার চেষ্টার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।

thai foods

তিনি বলেছেন, দাবি ছিল তিন দিনের কিন্তু তিন দিন না হোক দুইদিন করা যায় কি না সেটি দেখব। আমরা বিষয়টি নিয়ে কেবিনেট বৈঠকে আলাপ করব।’

সোমবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে জাতীয় হিন্দু মহাজোট নামে একটি সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘তারা যা দাবি করেছেন, সেখানে নতুন কোনো বিষয় নেই। তারা বলেছেন, অনেকে বুঝে না বুঝে এক ধরনের আন্দোলন করে প্রচার করার চেষ্টা করেছেন। সেটি সঠিক নয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এর চেয়ে বড় পরিসরে আমরা আলোচনা করব।’

দুর্গাপূজায় ছুটি বৃদ্ধির দাবি প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমিও মনে করি পূজাতে তিন দিন ছুটি দিতে অসুবিধা কী? এ ছুটি তো শুধু তাদের জন্য নয়, ছুটি তো আমরাও ভোগ করতে পারব। আমি বলেছি, আমি কিন্তু ডিসিশন মেকার না। স্বরাষ্ট্র সচিবকে বলেছি, এটি নোট করতে তাদের যে দাবি রয়েছে সেগুলো নিয়ে আমাদের কেবিনেট মিটিং এ আলাপ করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘যে সব দাবি এখন পূরণ করা যায়, সেগুলো এখনি পূরণ করা যায় কীনা সেটি দেখব। কনস্টিটিউশনাল কিছু বিষয় রয়েছে সেগুলো পরে দেখব। কারণ আমাদের তো কস্টিটিউশন চেঞ্জ করার প্রবেশন নেই। এটি আমাদের রিকোমেন্ডশনে থাকবে যে, কনস্টিটিউশন যদি কখনো হাত লাগানো হয়। কারণ কনস্টিটিউশন হাত লাগাতেই হবে অনেক বিষয়ে। আমরা ডিক্টেটরশিপ চাই না। আমরা জবাবদিহি সরকার চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে আপনারা চেনেন। নির্বাচন কমিশনে দেখেছেন। আমি মিশন নিয়ে আসি পুরো করার চেষ্টা করি। নির্বাচন কমিশনে সেটিই করেছি। যেমন বলেছিলাম, পলিটিক্যাল পার্টি অ্যাক্ট। হয় এখানে বসে করব না হলে বাইরে থেকে করব। সেখানে যারা রাজনীতি করতে পারবে করবে, যারা পারবে না তারা করবে না। এখানে পার্টির তো অভাব নেই।’

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘হিন্দু নেতারা যে দাবি জানিয়েছেন। সেখানে আমরা করতে পারি, কথা দিয়েছি আই উইল ডেফিনেটলি টক। আমি বলব, দুর্গাপূজা সারা বাংলাদেশের উৎসব। মণ্ডপে ঢোকা যায় না ভিড়ে। আমি বলেছি, স্ট্রংলি রিকমান্ড করব। অন্তত দুর্গাপূজায় তিন দিন না হোক অন্তত দুইদিন যেন হয়। কারণ অনেকে একদিন ছুটি হলে চাকরিজীবীরা যেতে পারে না।’

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘জেলাগুলোতে নির্দেশনা পাঠাব দায়িত্ব নেবেন যেখানে পূজা হবে সেখানে যতটা প্রয়োজন নিরাপত্তা দিতে। পুলিশ কম হলে অন্য বাহিনী নিয়ে আসবেন। আনসার বিজিবি নিয়ে আসবে। আমি চাই না কোনো থার্ড কলামিস্ট একটা কিছু করে আমাদের বদনাম করুক, দেশের বদনাম করুক।‘

তিনি আরও বলেন, ‘মারামারি কখনো ধর্মভিত্তিক হয় না। মারামারি হয় জমি দখল কেন্দ্র করে। এটি শুধু মাইনোরিটির সমস্যা না। আমাকে একজন অবসরপ্রাপ্ত এয়ারফোর্স অফিসার তার জমি দখলের বিষয়টি জানাতে ফোন করেছিলেন।’

উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘হিন্দুদের অনুষ্ঠানে কথা বলবেন, আমরা নিরাপত্তা দেব। আমাদের কাজই মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া। সে যে কোনো ধর্মের মানুষ হোক না কেন। আমি আশা করি, তারা আমার কথায় আশ্বস্ত হয়েছেন।’

খখ/মো মি

আগেঅন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হলেন আলী ইমাম মজুমদার
পরেঅ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ৭০ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ