চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা থেকে গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ পরিবারের

thai foods

খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা থেকে জেসমিন আক্তার নামে (১৮) এক গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তরুণীর পরিবারের অভিযোগ—প্রায়ই বাসার গৃহকর্তার স্ত্রী তাকে শারিরীক নির্যাতন করতো। তারাই হত্যা করে তাকে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে।

thai foods

রাত সাড়ে ১০টায় ওই গৃহকর্মীর পরিবার গৃহকর্তা ও গৃহকর্তীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের জন্য থানায় অবস্থান করছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চান্দগাঁও থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) হিরো বড়ুয়া।

উপ পরিদর্শক (এসআই) হিরো বড়ুয়া গণমাধ্যমকে বলেন, জেসমিন আক্তার নামে (১৮) এক গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিটা ময়না তদন্তের পর জানতে পারব।

রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নতুন চান্দগাঁও আবাসিক মসজিদের সামনের একটি ভবনের ৬ষ্ঠ তলা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত জেসমিন আক্তার চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিবির বিলা গ্রামের নূর মোহাম্মদের মেয়ে। তার মা-বাবা গ্রামের বাড়িতেই থাকেন।

তবে, তাৎক্ষণিকভাবে ওই গৃহকর্তা এবং গৃহকর্তীর নাম জানা যায়নি। গৃহকর্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা এবং গৃহকর্তা পোশাক কারখানার কর্মকর্তা বলে জানা গেছে। বর্তমানে তারা চান্দগাঁও থানায় রয়েছেন।

জেসমিনের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চান্দগাঁও আবাসিকের ওই ভবনে এক গার্মেন্টস কর্মকর্তার বাসায় কাজ করতো সে। গৃহকর্তার সাথে জেসমিনের অবৈধ সম্পর্ক আছে সন্দেহে গৃহকর্তী প্রায়ই তাকে মারধর করতো। সবশেষ, রাগারাগি করে জেসমিন রোজার সময় বাড়িতে চলে যায়। ঈদের পর গৃহকর্তা জেসমিনের বাবা-মাকে বুঝিয়ে শুনিয়ে আবারও ফেরত আনে।

তাদের অভিযোগ—জেসমিনকে হত্যা করে গৃহকর্তী লাশ ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখেছিল। তারা ওই তরুণীকে খুন করে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার পায়তারা করছে।

জেসমিনের নানা মো. আবছার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যেভাবে লাশটির ভিডিও আমাদের দেখানো হয়েছে, দেখে মনে হয়নি এটি আত্মহত্যা। জেসমিন কিছুদিন আগেও আমার মেয়েকে ফোন করে কান্নাকাটি করে তাকে নির্যাতন করা হচ্ছে জানিয়েছিলো। এভাবে তাকে প্রায়ই নির্যাতন করা হতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ (রবিবার) সকাল ১০টার দিকে আমাদের ফোন করে গৃহকর্তা জানায়, আপনাদের মেয়ের একটু সমস্যা হয়েছে তাড়াতাড়ি আসেন। আমরা গিয়ে তার লাশ দেখতে পাই। আমরা বর্তমানে থানায় রয়েছি এবং নাতির মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেলে রয়েছে। এখনো ওসি স্যারের দেখা পাইনি তিনি আসলে আমরা আলোচনা করে আইনের আশ্রয় নেব।’

খখ/মো মি

আগেশ্রীলঙ্কার নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন বামপন্থী অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে
পরেচট্টগ্রামের পাঁচলাইশে গান গাইতে গাইতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা