খাসখবর চট্টগ্রাম ডেস্ক: চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে যুবদল কর্মী আলমগীর আলমকে গুলি করে হত্যার মামলায় মুহাম্মদ রাজু (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (১ নভেম্বর) দিবাগত রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে রাউজান থানা পুলিশ। মুহাম্মদ রাজু, রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রহমতপাড়ার মৃত নুর নবীর ছেলে। মুহাম্মদ রাজু আলমগীর আলমের সহযোগী ছিলেন।
এর আগে আলমগীর আলম হত্যা মামলায় দুই আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তারা হলেন রাউজান কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ রাসেল খান (৩২) ও পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রহমতপাড়ার বাসিন্দা ও যুবদল কর্মী মুহাম্মদ হৃদয় (৩০)।
রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, অস্ত্রধারীরা আলমগীর আলমকে গুলি করার জন্য কবরস্থানে লুকিয়ে ছিলেন। গ্রেপ্তার রাজু তখন আলমগীর আলমের পেছনে একটি মোটরসাইকেলে ছিলেন। হত্যাকাণ্ডে রাজুর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। রাজু আলমগীরের সহযোগী হিসেবে পরিচিত। রোববার রাজুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৫ অক্টোবর বিকেলে রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চারাবটতল বাজারসংলগ্ন কায়কোবাদ জামে মসজিদের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় আলমকে। এ সময় তাঁর স্ত্রী ও সন্তান পেছনে একটি অটোরিকশায় ছিলেন। পাশের গ্রামের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন তাঁরা। আলমের বাড়ি পার্শ্ববর্তী ঢালারমুখ এলাকায়। আলম নিহত হওয়ার দুই দিন পর তাঁর বাবা আবদুস সাত্তার বাদী হয়ে ২১ জনের নামোল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬ থেকে ৭ জনকে আসামি করে রাউজান থানায় মামলা করেন। মামলার এজাহারে রাজুর নাম নেই। তবে ঘটনার তদন্তে হত্যাকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।
- খখ/মো মি


