“সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের নতুন বেতনের সিদ্ধান্ত নেবে আগামী সরকার”-অর্থ উপদেষ্টা

Oplus_131072
thai foods

খাসখবর জাতীয় ডেস্ক: সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে কমিশনের সিদ্ধান্ত আগামী সরকার নেবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে।

thai foods

আজ রোববার (০৯ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক এবং অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সালেহউদ্দিন আহমেদ এ কথা বলেন।

গত ২৭ জুলাই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো নির্ধারণের জন্য পে কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনের প্রধান সাবেক অর্থসচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান। এই কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

বর্তমানে ২০১৫ সালের পে স্কেল অনুসারে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেতন-ভাতা পান। বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন প্রায় ১৫ লাখ।

দুই বছরের বেশি সময় ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজমান। এতে মানুষের প্রকৃত আয় কমে যাচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে নতুন বেতনকাঠামো নির্ধারণে নতুন পে কমিশন গঠন করা হলো।

চালের দাম মোটামুটি সহনীয়। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়েছে বলে আজ স্বীকার করেন সালেহউদ্দিন আহমেদ। বলেন, যাতায়াত ও বাড়িভাড়া বেড়েছে।

বাজার স্থিতিশীল করার ক্ষেত্রে সরকার যেসব উদ্যোগ নিয়েছে, সেসব বিষয়েও কথা বলেন সালেহউদ্দিন আহমেদ। ইউরিয়া ও টিএসপি সার আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেদ্ধ চাল আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সামগ্রিকভাবে খাদ্যের দাম মানুষের নাগালের মধ্যে আনার চেষ্টা করছে সরকার। পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে তিনি মনে করেন।

ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, ৩০ নভেম্বর থেকে আমন ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করবে সরকার। এবার প্রতি কেজি ধান ৩৪ টাকা, আতপ চাল ৪৯ টাকা ও সেদ্ধ চাল ৫০ টাকা কেজি দরে সংগ্রহ করা হবে।

সরকারের লক্ষ্যমাত্রা হলো ৫০ হাজার মেট্রিক টন ধান ও আতপ চাল আর ৬ লাখ মেট্রিক টন সেদ্ধ চাল সংগ্রহ করবে।

আইএমএফের ঋণ

অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, চলমান ঋণ কর্মসূচির ষষ্ঠ কিস্তির অর্থছাড়ের বিষয়টি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করবে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে আইএমএফের আরেকটি মিশন বাংলাদেশে এসে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

সালেহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘আইএমএফকে আমরা বলেছি, এই মুহূর্তে আমাদের ঋণের কিস্তির দরকার নেই। তারা আগে পর্যালোচনা করুক। নির্বাচিত সরকার কতটা ঋণ চায়, সেটা নিয়ে ফেব্রুয়ারির মিশন আলোচনা করবে, এরপর নাহয় ঋণছাড় হবে।’

আইএমএফ বলেছে, ‘আমরা ঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছি। তাদের কিছু পরামর্শও আছে, যেমন রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে, সেই সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যয় বাড়াতে হবে।

অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আগামী সরকারকে আইএমএফের ঋণ, সংস্কারের শর্তসহ সব বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা তৈরি করে দেওয়া হবে।

খখ/মো মি

আগেসাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমের যৌন হয়রানির অভিযোগ: ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন বিসিবির
পরে২৯ জেলায় ডিসি পদায়ন, ২১ জনই নতুন মুখ