খাসখবর জাতীয় ডেস্ক➤ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবির জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্কুল বন্ধ এজন্য একটু ক্ষতি হচ্ছে। টিকা দেওয়ার পরে আমরা সব স্কুল খুলে দেবো।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘স্কুল বন্ধ—এ জন্য একটু ক্ষতি হচ্ছে। টিকা দেওয়ার পরে আমরা সব স্কুল খুলে দেবো। এর আগে আমরা যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিলাম, তখনই সারা বিশ্বে করোনাভাইরাস মহামারি এমনভাবে ছড়িয়ে পড়ল, তার ধাক্কা এসে পড়ল আমাদের মধ্যে। এখন তো শিশুদেরও করোনা সংক্রমণ হচ্ছে। লেখাপড়া শিখবে, কিন্তু এটার জন্য জেনেশুনে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেব কি না, তা মাননীয় সংসদ উপনেতা একটু বিবেচনা করবেন। বলার জন্য বলতে পারেন, কিন্তু এটাও একটু চিন্তা করুন, ছেলেমেয়েদের মৃত্যুর মুখে দেবেন কি না?’
শনিবার (৩ জুলাই) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা জানান। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এ অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন।
সংসদ অধিবেশনে তিনি আরও বলেন, ভ্যাকসিন এসেছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে। যত টাকা লাগে দেওয়া হবে, আরও টিকা নিয়ে আসা হবে দেশে। সব দেশের সঙ্গেই যোগাযোগ করা হচ্ছে। দেশের ৮০ ভাগ মানুষকে বিনামূল্যে করোনা টিকার আওতায় নিয়ে আসা হবে।
তিনি বলেন, ঈদুল ফিতরে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মানুষ গ্রামে গিয়েছিল বলেই করোনা সংক্রমণ এতটা বেড়েছে। এ সময় সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে আহ্বান জানান তিনি। গত ঈদে নিষেধ করা সত্ত্বেও মানুষ বাড়ি গিয়েছিল, তখন সরকারের কথা শুনলে এখন হয়তো পরিস্থিতি এতটা খারাপ হতো না বা সংক্রমণও এতটা বাড়ত না।
এ সময় দেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচার ব্যবস্থায় যতো উন্নয়ন হয়েছে, তার সবটাই আওয়ামী লীগের সময় হয়েছে। বিএনপির আমলে ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়েও বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের সময় এক ছাত্রদল নেতার ঘাড়ে হাত রেখে আলোচনা করে বিচারপতির রায় দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়াও ভোট চুরির সুযোগ তৈরির জন্য প্রধান বিচারপতির মেয়াদ বাড়িয়ে তাকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার বিষয়টিও করেছিল বিএনপি।
খখ/মো মি


